Durga Puja Fashion: আলমারি খুললেই সব জামা হুমড়ি খেয়ে পড়ছে? এভাবে চটপট গুছিয়ে ফেলুন

Smart closet organization: পুজোয় একগাদা নতুন জামা কিনেছেন, কিন্তু আলমারিতে ঢোকানোর জায়গা পাচ্ছেন না? আলমারি খুললেই কি জামাকাপড় একেবারে হুমড়ি খেয়ে পড়ছে? আদতে জায়গা কম নয়, বরং পোশাক রাখার ভুল পদ্ধতির জন্যই এই বিপত্তি। কয়েকটি সহজ কৌশল মেনে গুছিয়ে রাখলে ম্যাজিকের মতো জায়গা বাড়বে, শিখে নিন পদ্ধতিগুলো।

Durga Puja Fashion: আলমারি খুললেই সব জামা হুমড়ি খেয়ে পড়ছে? এভাবে চটপট গুছিয়ে ফেলুন
কায়দাটা শিখে নিনImage Credit source: free pik

Oct 16, 2026 | 1:19 PM

পুজোয় একগাদা জামা কিনে ফেলেছেন? আলমারিতে আর কিছুতেই গুঁজে রাখতে পারছেন না? আলমারি খুললেই কি হুমড়ি খেয়ে জামাকাপড়গুলো আপনার ঘাড়ে পড়ছে? অর্ধেক জামা ঢোকানোর জায়গা পাননি বলে বাইরেই রেখে দিয়েছেন? এত জিনিস রাখার জায়গা কোথায়? আসলে জায়গা কম নয়, রাখার ভুল পদ্ধতির জন্যই এই বিপত্তি। এবার একটু অন্যভাবে গুছিয়ে দেখুন তো! ম্যাজিকের মতো আলমারিতে অনেকটা জায়গা বেড়ে যাবে।

কী কী করবেন?

সব বের করে ফেলুন- প্রথমে আলমারির ভেতর থাকা সমস্ত কিছু বিছানায় নামিয়ে ফেলুন। এরপর একটু ভেবে দেখুন তো, কোন পোশাকগুলো সারাবছর পরা হয় আর কোনগুলো শুধুই বিশেষ দিনের জন্য? যেগুলো একদমই পরা হয় না, সেগুলো আলাদা করে দিন। বাতিল জামাকাপড় সরিয়ে ফেললেই দেখবেন, ম্যাজিকের মতো অর্ধেক জায়গা ফাঁকা হয়ে গিয়েছে।

ঠাসাঠাসি করে জামা রাখছেন না তো?- লোকাল ট্রেনের ভিড়ের মতো আলমারিতেও পোশাক গুঁজে দেবেন না। এতে কাপড়ের ইস্ত্রি নষ্ট হয় এবং জামার সুতো ফেঁসে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। একটু হাওয়া চলাচলের জায়গা রাখলে দেখবেন পোশাক সতেজ থাকছে।

হ্যাঙ্গারের সঠিক ব্যবহার করুন: সব পোশাকে হ্যাঙ্গার লাগানোর কি কোনও দরকার আছে? একদমই না। সিল্কের শাড়ি, ব্লেজার বা ইস্ত্রি করা শার্টের ক্ষেত্রেই কেবল হ্যাঙ্গার ব্যবহার করুন। সুতির কুর্তি, জিন্স বা রোজকার গেঞ্জি সুন্দর করে ভাঁজ করে রাখলে অনেকটা জায়গা বাঁচবে।

সঠিক ভাঁজ করার কায়দাটা শিখে নিন: পোশাকের উপর পোশাক চাপিয়ে রাখলে নিচ থেকে একটা জামা টানলেই সব তাসের ঘরের মতো পড়ে যায়, তাই না? এর বদলে জামাগুলো লম্বালম্বি বা খাড়া করে ভাঁজ করে রাখুন তো। একনজরে সব দেখতে পাওয়া যাবে। এতে রোজকার পোশাক খুঁজতেও অনেকটা সময় বাঁচবে।

মরশুম অনুযায়ী জায়গা বদল করুন: পুজোর পরপরই শীতের আমেজ শুরু হয়ে যায়। তাই ভারী জ্যাকেট বা সোয়েটারগুলো এবার আলাদা করে রাখুন। রোজকার পরার পোশাক চোখের সামনে রাখলে সকালবেলা অফিসের তাড়াহুড়োয় খুঁজতে গিয়ে আর আলমারি ঘাঁটতে হবে না।

ভারী পোশাকের জন্য আলাদা বাক্স করুন: উৎসবের ভারী কাজের শাড়ি বা লেহেঙ্গাগুলো আলমারির মূল অংশে রাখবেন না। সুন্দর বাক্সে ভরে আলমারির একেবারে উপরের বা নিচের তাকে তুলে রাখুন। এর সঙ্গে ন্যাপথলিন দিয়ে রাখলে পোশাক ভালো থাকবে।

একটু বুদ্ধি খাটিয়ে গুছিয়ে রাখলেই আর জামাকাপড়ের পাহাড়ে চাপা পড়তে হবে না। আলমারি থাকবে পরিপাটি, আর তাড়াহুড়োর সময় পছন্দের পোশাক খুঁজতে গিয়ে কখনও নাকানিচোবানি খেতে হবে না।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us