
ওজন কমালে ভাজাভুজি খাবার থেকে দূরে থাকতে হয়। কিন্তু বিকেল হলেই স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পায়। আর স্ন্যাকস হিসেবে চাউমিন থেকে ফ্রায়েড চিকেন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইসের কদর বেশি। যদি কম খরচে মুখরোচক খাবারের সন্ধানে থাকেন, তখন ঝালমুড়ি, ফুচকা, পাপড়ি চাটই ভরসা। যদিও ঝালমুড়ি, ফুচকার সঙ্গে পাল্লা দিতে পারবে না পিৎজা, বার্গার। কিন্তু ওয়েট লসের জার্নিতে এসব কোনও খাবারই চলে না। ফুচকা, পাপড়ি চাট, পিৎজা, বার্গার এই ধরনের খাবারে ক্যালোরির পরিমাণ বেশি থাকে। যা ওজন ও ওবেসিটির ঝুঁকিও বাড়াতে পারে। কিন্তু তা বলে, বিকেলের খিদের মুখে মুখরোচক খাবার খাবেন না, তা হয় নাকি। বরং, ওজন কমানোর ডায়েটে যোগ করুন অঙ্কুরিত ছোলা বা মুগ কলাইয়ের চাট।
অঙ্কুরিত ছোলা হোক বা মুগ কলাই দু’টোই প্রোটিন ও ফাইবারে সমৃদ্ধ। পাশাপাশি এই ধরনের কলাইতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই এই খাবার খেলে আপনার ওজন বাড়ার ভয় নেই। বরং, অঙ্কুরিত ছোলা, মুগ কলাই বা চানা ওজন কমাতে সাহায্য করে। আর যখন আপনি এসব কলাই বিকেলের জলখাবার হিসেবে খান, তখন এটি আপনার দীর্ঘক্ষণ পর্যন্ত পেট ভর্তি রাখতে সাহায্য করে। এতে খিদে কম পায় এবং ক্যালোরি গ্রহণের পরিমাণও কমে যায়। এছাড়া অঙ্কুরিত ছোলা বা কলাইয়ের চাট খেলে মনও ভরে যাবে। কীভাবে এই চাট বানাবেন, রইল সহজ টিপস।
অঙ্কুরিত ছোলার চাটের রেসিপি-
অঙ্কুরিত ছোলা, মুগ কলাই বা চানা যে কোনও কলাই বেছে নিতে পারেন। ছোলা বা চানা হলে আপনি সেদ্ধ করে নিতে পারেন। কিংবা অঙ্কুরিত ছোলা বা মুগ কলাই হলে সেদ্ধ করার প্রয়োজন নেই।
১ কাপ অঙ্কুরিত ছোলা, ১ কাপ সেদ্ধ চানা নিন। ১টা মাঝারি সাইজের টমেটো কুচিয়ে নিন, ১টা ছোট সাইজের পেঁয়াজ কুচিয়ে নিন। অর্ধেক শসা কুচিয়ে নিন। এবার অঙ্কুরিত ছোলা ও চানা একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। এতে একে একে শসা, পেঁয়াজ, টমেটো, কাঁচা লঙ্কা কুচি মিশিয়ে দিন। এবার এতে স্বাদমতো বিটনুন, লেবুর রস এবং গোলমরিচের গুঁড়ো ভাল করে মিশিয়ে নিন। স্বাদের জন্য মেশাতে পারেন চাট মশলা। উপর দিয়ে তাজা ধনে পাতা গুঁড়ো ছড়িয়ে পরিবেশন করুন অঙ্কুরিত ছোলার চাট।