Ayurvedic Tips for Combination Skin: ক্রিম ছাড়া চলছে না, আবার নাকের দু’পাশে তেলতেলে ভাবও বাড়ছে, কী করবেন?
Ayurvedic Remedies for Combination Skin: আবহাওয়ার কারণে আজকাল অনেকেই কম্বিনেশন স্কিনের মুখোমুখি হন। এই ধরনের ত্বকের যত্ন নেওয়া বেশ চ্যালেঞ্জের। বাজারে আলাদা করে কম্বিনেশন স্কিনের প্রসাধনী খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। আর প্রোডাক্ট পেলেও কোনটি ভাল আর কোনটি উপযুক্ত নয়, সেটা বেছে নেওয়া আরও চাপের।

কখনও শুষ্ক ত্বক। ক্রিম না মাখলে চলে না। আবার কখনও নাকের দু’পাশ দিয়ে তেল গড়াচ্ছে। কপাল জুড়ে চিটচিটে ভাব। বুঝতে পারেন না তৈলাক্ত ত্বক নাকি শুষ্ক। এমনকি কোন ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করবেন, সেটাও বেছে নিতে পারেন না। এমন অবস্থায় পড়লে বুঝবেন আপনার কম্বিনেশন স্কিন। কপাল ও নাকের দু’পাশ অঞ্চলকে ‘টি জ়োন’ বলে। টি জ়োন তৈলাক্ত হলে বুঝবেন কম্বিনেশন স্কিন।
আবহাওয়ার কারণে আজকাল অনেকেই কম্বিনেশন স্কিনের মুখোমুখি হন। এই ধরনের ত্বকের যত্ন নেওয়া বেশ চ্যালেঞ্জের। বাজারে আলাদা করে কম্বিনেশন স্কিনের প্রসাধনী খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন। আর প্রোডাক্ট পেলেও কোনটি ভাল আর কোনটি উপযুক্ত নয়, সেটা বেছে নেওয়া আরও চাপের। তবে, আয়ুর্বেদের কম্বিনেশন স্কিনের সমাধান রয়েছে। অতিরিক্ত সেবাম উৎপাদন থেকে শুরু করে ত্বককে হাইড্রেট করা—আয়ুর্বেদিক টোটকায় সবই সম্ভব।
১) গ্রিন টি, মধু ও অ্যালোভেরার মাস্ক: গ্রিন টিয়ের মধ্যে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ও অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে, যা কম্বিনেশন স্কিনের উপর দুর্দান্ত কাজ করে। অ্যালোভেরা ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে ত্বকে জেল্লা ফিরিয়ে আনে। মধুও ত্বক থেকে ময়লা ও ব্যাকটেরিয়া দূর করে এবং ত্বককে হাইড্রেট রাখে। ব্রণ হোক বা শুষ্ক ত্বক, এই ফেসমাস্ক সব সমস্যার সমাধান করে দেবে। ২ চামচ গ্রিন টিয়ের গুঁড়ো নিন। এতে ১ চামচ অ্যালোভেরা জেল ও মধু মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে নিন। এটি ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর ঈষদুষ্ণ জল দিয়ে মুখ ধুয়ে ফেলুন।
২) মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক: কম্বিনেশন স্কিনের জন্য দুর্দান্ত কাজ করে মুলতানি মাটির ফেসপ্যাক। মুলতানি মাটি ত্বক থেকে তেল, ধুলোবালি পরিষ্কার করে দেয়। এটি রোমকূপের মুখ পরিষ্কার করে এবং ত্বকে কুলিং এফেক্ট এনে দেয়, যা রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং স্কিন টোন উন্নত করে। ২ চামচ মুলতানি মাটি নিন। এতে ১ চামচ লেবুর রস ও ১ চামচ গোলাপ জল মিশিয়ে ফেসপ্যাক বানিয়ে নিন। এই মিশ্রণটি ত্বকে লাগিয়ে ২০ মিনিট রাখুন। এরপর মুখ ধুয়ে ফেলুন।
৩) শসার রস ও মধু: শসার রসের সঙ্গে মধু মিশিয়ে মুখে মাখুন। এটি ত্বকের প্রদাহ কমাবে। জ্বালাভাব, লালচে ভাব থেকেও আরাম দেবে। মধু রোমকূপগুলো পরিষ্কার করবে এবং ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করবে। শসা শুষ্ক ত্বকের হাত থেকে মুক্তি দেবে। শসার রস ও মধুর মিশ্রণ ত্বকের উপর অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান হিসেবে কাজ করে। গরমকালে দিনে একবার করে এই টোটকা ব্যবহার করতে পারেন।
