শরীরে ঘোড়ার মতো শক্তি ফেরাবে এই ‘পঞ্চরত্ন’ দুধ!

বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা দীর্ঘ অসুস্থতার পর দুর্বল হয়ে পড়েছেন বা যাদের গাল ভেঙে গিয়েছে, তারা টানা ১৫ দিন এই দুধ খেলে শরীরে এক অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন। কেবল ওজন নয়, ত্বকের জেল্লাও হবে লক্ষ্য করার মত।

শরীরে ঘোড়ার মতো শক্তি ফেরাবে এই পঞ্চরত্ন দুধ!
Image Credit source: AI

Mar 01, 2026 | 2:55 PM

আজকালকার জিম আর দামী প্রোটিন পাউডারের যুগে আসল পুষ্টির কথাই ভুলেই গিয়েছেন অনেকে। অনেকে আছেন যারা রোগা বলে দুশ্চিন্তায় ভোগেন, সারাদিন ভালো-মন্দ খেয়েও শরীরে মাংস লাগে না। আবার কারও কারও সবসময় ক্লান্ত লাগে। এই সব সমস্যার সমাধান কিন্তু লুকিয়ে রয়েছে একটি পানীয়তেই। পুরনো দিনের সেই দিদিমা-ঠাকুমাদের আমলের একটি বিশেষ পানীয় এখন নতুন করে চর্চায়। মাত্র পাঁচটি সাধারণ উপকরণ দিয়ে তৈরি এই ‘পাওয়ার মিল্ক’ ওজন বাড়াতে আর হাড় মজবুত করতে কাজ করে ম্যাজিকের মতো।

কী কী লাগবে এই বিশেষ পানীয়তে?

এই পানীয় তৈরি করা খুব সহজ। এতে লাগে এক গ্লাস ঈষদুষ্ণ গরম দুধ, দুটো শুকনো ডুমুর (Figs), পাঁচটা খেজুর, পাঁচটা ভেজানো ও খোসা ছাড়ানো কাঠবাদাম এবং একটা পাকা কলা। আপনি চাইলে সব একসাথে মিক্সিতে দিয়ে স্মুদি বানিয়ে নিতে পারেন, অথবা দুধের সাথে এই ফলগুলো চিবিয়েও খেয়ে নিতে পারেন। মিড-ডে স্ন্যাক্স হিসেবে এটি খেলে সবচেয়ে ভালো ফল পাওয়া যায়।

কেন এটি এত শক্তিশালী?

আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে এই ধরনের খাবারকে বলা হয় ‘বৃণহন’ (Brihan) খাবার, যা শরীরকে ভেতর থেকে পুষ্টি দেয় এবং পেশির গঠন মজবুত করে।

খেজুর ও কলা: এই দুটো ফল শরীরের এনার্জি লেভেল এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দেয়। এতে থাকা প্রাকৃতিক চিনি ও কার্বোহাইড্রেট ওজন বাড়াতে সাহায্য করে।

ডুমুর বা আঞ্জির: এতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে, যা হজম ক্ষমতা বাড়ায়। ফলে যা খাচ্ছেন, তার প্রভাব সঠিক ভাবে পড়বে আপনার শরীরে।

কাঠবাদাম ও দুধ: হাড় শক্ত করতে এবং শরীরে প্রোটিনের জোগান দিতে এই দুই খাবারের জুড়ি মেলা ভার।

বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা দীর্ঘ অসুস্থতার পর দুর্বল হয়ে পড়েছেন বা যাদের গাল ভেঙে গিয়েছে, তারা টানা ১৫ দিন এই দুধ খেলে শরীরে এক অদ্ভুত পরিবর্তন লক্ষ্য করবেন। কেবল ওজন নয়, ত্বকের জেল্লাও হবে লক্ষ্য করার মত।

তবে মনে রাখবেন, এই পানীয়টি বেশ ভারী। তাই যাদের হজমের সমস্যা আছে বা যারা গ্যাস-অম্বলে ভোগেন, তারা খাওয়ার আগে অবশ্যই পরিমাণ বুঝে নেবেন। যেহেতু এতে খেজুর ও কলার মতো মিষ্টি ফল আছে, তাই সুগারের রোগীদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।