পাশাপাশি বর্ষায় যে কারও সাধের গাছেও পোকামাকড়ের সমস্যা বেড়ে যায়। গাছের সবুজ কচি পাতা খেয়ে ফেলে পোকা। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গেলে বেশ কিছু ঘরোয়া প্রতিকার কাজে লাগাতে পারেন।
বর্ষা যেন মুখ ফেরাতেই চাইছে না। যখন একনাগাড়ে বৃষ্টি হয়, চারিদিকে জল থৈ থৈ করে। এমন সময় পোকামাকড়ের উপদ্রব অনেকটা বেড়ে যায়। পাশাপাশি বর্ষায় যে কারও সাধের গাছেও পোকামাকড়ের সমস্যা বেড়ে যায়। গাছের সবুজ কচি পাতা খেয়ে ফেলে পোকা। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে গেলে বেশ কিছু ঘরোয়া প্রতিকার কাজে লাগাতে পারেন।
অনেকের বাড়িতে থাকা গাছে বর্ষাকালে পোকার আক্রমণ বেড়ে যায়। এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে কেউ কেউ ভরসা নেন কীটনাশকের। অনেকে আবার বাড়ির গাছে কীটনাশক প্রয়োগ করতে চান না। এই পরিস্থিতিতে ঘরোয়া প্রতিকারে ভরসা রাখতে পারেন। চলুন জেনে নেওয়া যাক সেই টিপসগুলি।
নুনের ব্যবহার –বাড়িতে লাগানো গাছে যদি পোকা লেগে যায় তা হলে তাতে নুন দিতে পারেন। একটা স্প্রে বোতলে জল এবং নুন মিশিয়ে রাখতে হবে। ওই মিশ্রণ এ বার গাছে ছিটিয়ে দিন। গাছের গোড়ার চারপাশেও নুন ছিটিয়ে দিতে পারেন। তা হলে গাছ থেকে পোকামাকড় বেশ খানিকটা দূরে থাকবে।
নিমপাতার ব্যবহার –গাছ থেকে পোকামাকড় দূর করতে নিমপাতা অনেকটাই সাহায্য করে। নিমের তীব্র ও তেঁতো একখানা গন্ধ রয়েছে। যার ফলে গাছপালা থেকে পোকামাকড় দূরে থাকে। এ ছাড়া নিমপাতা শুকিয়ে গুঁড়ো করে নিতে পারেন। এরপর সেই গুঁড়ো যে কোনও গাছের গোড়ায় দিতে পারেন। এ ছাড়া রাতে নিমপাতা জলে ভিজিয়ে রাখতে পারেন। পরের দিন সকালে গাছের গোড়ায় ও পাতায় তা ছিটিয়ে দিতে পারেন।
হিংয়ের ব্যবহার – হিংয়ের গন্ধ পোকামাকড় সহ্য করতে পারে না। যে কারণে বাড়িতে যে গাছে পোকা লেগেছে তাতে হিং-জল স্প্রে করতে পারেন। এক গ্লাস জলে এক চিমটে হিং মেশাতে হবে। সেটি ৩-৪ ঘণ্টা রাখতে হবে। তারপর সেই জল স্প্রে-বোতলে ভরে গাছে স্প্রে করতে পারেন। এমনটা করলে পোকামাকড় দূর হবে।