
আজকাল শাড়ি, কুর্তির থেকে অধিকাংশ মেয়েই জিনস বেশি পছন্দ করেন। কারণ জিনসে স্বাচ্ছন্দ্য অনেক বেশি। চট করে জিনসের সঙ্গে টপ, কুর্তি পরেই বেরিয়ে পড়া যায়। আগেকার দিনে জিনস বেশ মোটা হত, কাচলে শুকতো না। বছরের পর বছর বস্তার মত চলতে থাকত কিন্তু ছিঁড়ত না। এসব দিন এখন অতীত। এখন জিনসের মধ্যেও অনেক রকম ফের রয়েছে। জিনস অনেক বেশি আরামদায়ক হয়েছে। আর তাই এই জিনসের সুন্দর করে যত্ন নিতে হবে। না নিলেই রং চটে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। ঠিক ভাবে না কেচে যত্ন নিলে জিনস তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়। আর তাই জিনস কাচার সময় মাথায় রাখুন এই কয়েটি টিপস। প্যান্ট যেমন পরিষ্কার হবে তেমনই অনেকদিন পর্যন্ত তা ভাল থাকবে। ফ্র্যাব্রিক ঠিক থাকে, ঢিলে হয়ে যায় না।
বাজারে অনেক রকম ডিটারজেন্ট পাওয়া যায়। যে সাবানের মধ্যে ক্ষার বেশি থাকে সেই সব সাবান বেশি ব্যবহার করলে জামাকাপড় অনেক বেশি নষ্ট হয়। তাই প্রথমে চেষ্টা করতে হবে কম ক্ষার রয়েছে এমন ডিটারজেন্ট ব্যবহার করার।
শুধু উপরের দিকে পরিষ্কার করলে হবেনা, জিনস এর ভেতর অর্থাৎ জিনস টিকে উল্টিয়ে নিয়েও কাচতে হবে। প্যান্টের গায়ে লেখা থাকে যে কীভাবে তা কাচতে হবে। আর মেলার সময় তা উল্টো করে দিলে রং ফ্যাকাশে হবে না।
জিনস সরাসরি ওয়াশিং মেশিনে দেবেন না। তার আগে সাবানে ভিজিয়ে বহাতে ভাল করে ঘষে তারপর ওয়াশিং মেশিনে দিতে হবে। ড্রায়ারে শুকিয়ে নিয়ে ছাওয়ার মধ্যে জল ঝরাতে দিন। এভাবে জিনস ধুয়ে কাচলে রং ফ্যাকাশে হয়ে যায় না। অনেকদিন পর্যন্ত তা ভাল থাকে। যদি জিনসে কোনও দাগ লেগে থাকে তাহলে আগে সেই দাগ তুলে নিতে হবে। নইলে সেই দাগ কিছুতেই তোলা যায় না। জিনস এর ফ্যাব্রিক মোটা, তাই আজ পরলে যে কাল ধুতে হবে এমন নয়। অন্তত টানা ১০-১২ দিন পরে তারপরেই ধুয়ে দিন। বেশি কাচলে জিনস বেশি নষ্ট হয়। জিনস সব সময় আলমারিতে রাখার সম হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখবেন। এতে প্যান্ট বেশিদিন ভাল থাকবে। মুড়ে রেখ্ দিলে কাপড়েও ভাঁজ পড়ে যায়।