আজ অ্যান্টি-হেয়ার ফল তো কাল ময়েশ্চার ফিলিং, ঘন ঘন শ্যাম্পু বদলানো কি চুলের জন্য ঠিক?
Shampoo for Hair Care: নতুন ব্র্যান্ড কিংবা পুরনো ব্র্যান্ডের নতুন শ্যাম্পু বাজারে এলেই কিনে ফেলেন। ভাবেন, ট্রাই করে দেখা যাক। হয়তো আগের শ্যাম্পুটার থেকে ভাল ফল দেবে। এই ঘন ঘন শ্যাম্পুর প্রকার ও ব্র্যান্ড বদলে ফেলার অভ্যাস অনেকেরই। আর এখন অনলাইন বিউটি স্টোর হওয়ায় সহজেই নতুন-নতুন প্রসাধনীর খোঁজ পাওয়া যায়।

চুল পাতলা হয়ে গিয়েছে। ভলিউম বাড়ায় এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করতে হবে। অঝোরে চুল পড়ছে। তখন বেছে নিলেন অ্যান্টি-হেয়ার ফল শ্যাম্পু। আবার খুশকির জ্বালাতনে অস্থির। ভরসা তখন অ্যান্টি-ড্রানডফ শ্যাম্পু। আর যদি কোনও চুলের সমস্যা না থাকে, তখন শাইন এনে দেয় এমন শ্যাম্পুই ব্যবহার করেন। শুষ্ক ও রুক্ষের চুলের ভরসা ডিপ ময়েশ্চারাইজিং শ্যাম্পু। চুলের সমস্যা অনুযায়ী বাজারে হাজারো শ্যাম্পু পেয়ে যাবেন। কিন্তু ঘন ঘন শ্যাম্পুর ব্র্যান্ড কিংবা প্রকার বদলানো কি আপনার চুলের জন্য ঠিক?
নতুন ব্র্যান্ড কিংবা পুরনো ব্র্যান্ডের নতুন শ্যাম্পু বাজারে এলেই কিনে ফেলেন। ভাবেন, ট্রাই করে দেখা যাক। হয়তো আগের শ্যাম্পুটার থেকে ভাল ফল দেবে। এই ঘন ঘন শ্যাম্পুর প্রকার ও ব্র্যান্ড বদলে ফেলার অভ্যাস অনেকেরই। আর এখন অনলাইন বিউটি স্টোর হওয়ায় সহজেই নতুন-নতুন প্রসাধনীর খোঁজ পাওয়া যায়। কিন্তু এই ঘন ঘন শ্যাম্পু বদলানোর জন্য চুলের জন্য কতটা উপকারী বা ক্ষতিকারক, চলুন জেনে নেওয়া যাক।
১) নিয়মিত শ্যাম্পু পরিবর্তন করে ব্যবহার করলে চুল ও স্ক্যাল্পে প্রোডাক্ট জমা হয় না। এটি স্ক্যাল্প ও চুলকে পরিষ্কার করে দেয়। এক-একটি শ্যাম্পুতে বিভিন্ন ধরনের ফর্মুলা ব্যবহার করা হয়। বেশিরভাগ শ্যাম্পুই চুল ও স্ক্যাল্পে জমে থাকা ময়লা, তেল ও দূষণ এবং অন্যান্য পণ্য পরিষ্কার করে দেয়।
২) ঘন ঘন শ্যাম্পু বদলানোর ফলে আপনি বুঝতে পারবেন আপনার চুলের কোনটা দরকার। সব ধরনের শ্যাম্পুই যে আপনার চুলে সেরা ফল এনে দেবে, এমন নয়। কিন্তু শ্যাম্পুর ব্র্যান্ড ও প্রকার বদলে ব্যবহার করলে, সহজেই বোঝা যায় কোনটি সেরা কাজ দিচ্ছে। পাশাপাশি আপনার চুলের টেক্সচার তৈলাক্ত না শুষ্ক সেটাও সহজেই ধরা পড়ে।
৩) অনেকের মতে, একই শ্যাম্পু বছরের পর বছর ব্যবহার করে গেলে সেটা চুলে সয়ে যায়। তখন সেই শ্যাম্পু তত বেশি কার্যকর হয় না, যতটা একদম প্রথমে ছিল। তখন না চুল সুন্দর থাকে, না কোনও ক্ষয়কে প্রতিরোধ করা যায়। অর্থাৎ, চুলের প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। কিন্তু শ্যাম্পু পরিবর্তন করে ব্যবহার করলে এই চিন্তা থাকে না। নতুন ফর্মুলেশনের শ্যাম্পু তখন চুলে ভাল ফল এনে দেয়।
৪) ঘন ঘন শ্যাম্পু পরিবর্তন করে চুলে এক্সপেরিমেন্ট করতেই পারেন। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে এটি স্ক্যাল্পের ক্ষতি করে। স্ক্যাল্পের নিজস্ব মাইক্রোবিয়ম রয়েছে। ঘন ঘন শ্যাম্পু বদলানোর ফলে এই প্রাকৃতিক স্ক্যাল্প মাইক্রোবিয়মের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। এতে খুশকি, চুলকানি ও স্ক্যাল্পে তৈলাক্ত ভাব বেড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
