AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

বিকেলের জলখাবারে চাই নতুন চমক? বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন জিভে জল আনা ‘চপলি কবাব’

কিন্তু 'চপলি কবাব' তার থেকে একেবারেই আলাদা। এটি আকারে বড়, পাতলা এবং বাইরে থেকে অত্যন্ত মুচমুচে হলেও ভেতর থেকে থাকে বেশ রসালো বা জুসি। রেস্তোরাঁ স্বাদ এখন আপনি আপনার নিজের রান্নাঘরেই তৈরি করতে পারেন। রইল ধাপে ধাপে তৈরির সহজ উপায়।

বিকেলের জলখাবারে চাই নতুন চমক? বাড়িতেই বানিয়ে ফেলুন জিভে জল আনা ‘চপলি কবাব’
| Updated on: Apr 11, 2026 | 2:50 PM
Share

কবাব বলতেই আমাদের চোখে ভেসে ওঠে ছোট ও গোল আকারের রেশমি বা শামি কবাব। কিন্তু ‘চপলি কবাব’ তার থেকে একেবারেই আলাদা। এটি আকারে বড়, পাতলা এবং বাইরে থেকে অত্যন্ত মুচমুচে হলেও ভেতর থেকে থাকে বেশ রসালো বা জুসি। রেস্তোরাঁ স্বাদ এখন আপনি আপনার নিজের রান্নাঘরেই তৈরি করতে পারেন। রইল ধাপে ধাপে তৈরির সহজ উপায়।

চপলি কবাবের বিশেষত্ব কী? সাধারণ কবাবের তুলনায় চপলি কবাব আকারে অনেকটা বড় ও চ্যাপ্টা হয়। এর স্বাদের মূল রহস্য লুকিয়ে আছে এতে ব্যবহৃত মশলার ভারসাম্যে। মোটা করে কোটা মশলা, আনারদানা (ডালিমের দানা), টাটকা টমেটো এবং কাঁচা লঙ্কার মিশ্রণ একে দেয় এক টক-ঝাল ও চটপটে স্বাদ।

যা যা লাগবে– কিমা (মটন): ৫০০ গ্রাম

পেঁয়াজ কুচি: ১টি (মাঝারি মাপের)

টমেটো কুচি: ১টি (বিচি ছাড়ানো)

আদা-রসুন বাটা: ১ টেবিল চামচ

কাঁচা লঙ্কা কুচি: ২-৩টি

আনারদানা (আধভাঙা): ১ চা চামচ

ভাজা জিরে গুঁড়ো: ১ চা চামচ

ধনে গুঁড়ো: ১ চা চামচ

শুকনো লঙ্কার গুঁড়ো: স্বাদমতো

গরম মশলা গুঁড়ো: আধা চা চামচ

বেসন বা কর্নফ্লাওয়ার: ২ টেবিল চামচ (বাইন্ডিংয়ের জন্য)

ডিম: ১টি (ঐচ্ছিক)

নুন ও তেল: পরিমাণমতো

ধনেপাতা কুচি: ২ টেবিল চামচ

এভাবে তৈরি করুন-

প্রথমে একটি পাত্রে কিমা নিয়ে তাতে পেঁয়াজ কুচি, টমেটো কুচি, আদা-রসুন বাটা, কাঁচা লঙ্কা এবং ধনেপাতা কুচি দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিন। এবার এতে নুন, লঙ্কার গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, ভাজা জিরে গুঁড়ো, গরম মশলা এবং আধভাঙা আনারদানা মিশিয়ে নিন। আনারদানা কবাবের স্বাদে একটি সুন্দর টক ভাব নিয়ে আসে। মিশ্রণটি যাতে ছেড়ে না যায়, তার জন্য বেসন বা কর্নফ্লাওয়ার মেশান। চাইলে একটি ডিমও ফেটিয়ে দিতে পারেন, এতে কবাব আরও নরম হয়। সব উপকরণ দিয়ে কিমা ভালো করে মেখে ৩০ মিনিট ম্যারিনেট করে রাখুন।

হাতের তালুতে সামান্য তেল মেখে কিমার মিশ্রণ থেকে ছোট বল তৈরি করে তা হাতের চাপে চ্যাপ্টা ও পাতলা আকার দিন। মনে রাখবেন, ভাজার সময় কিমা কিছুটা ছোট হয়ে যায়, তাই একটু বড় ও পাতলা করে গড়া ভালো। তাওয়ায় তেল গরম করে মাঝারি আঁচে কবাবগুলো দিন। দু’পিঠ লালচে সোনালি এবং মুচমুচে হওয়া পর্যন্ত ধীর আঁচে ভাজুন। আঁচ বাড়িয়ে ভাজলে কবাব ভেতর থেকে কাঁচা থেকে যেতে পারে।

সবশেষে পেঁয়াজ কুচি, পুদিনার চাটনি আর লেবু দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন ইসলামাবাদের এই সিগনেচার ডিশ। ছুটির বিকেলের আড্ডায় এমন একটি পদ আপনার পরিবারের সবার মন জয় করে নেবে নিশ্চিত।

Follow Us