Laptop posture: ল্যাপটপে কাজ করার পরেই ঘাড়ে-পিঠে মারাত্মক যন্ত্রণা? এই ছোট্ট ভুলটা করলেই বড় বিপদ

Health tips: দিনভর ল্যাপটপে কাজ করার পর ঘাড়ে বা পিঠে মারাত্মক যন্ত্রণা হচ্ছে? চিকিৎসকের পরামর্শ মেনে বসার পদ্ধতিতে সামান্য বদল আনলেই এই সমস্যা থেকে চিরতরে মুক্তি পাওয়া সম্ভব। কী কী করবেন?

Laptop posture: ল্যাপটপে কাজ করার পরেই ঘাড়ে-পিঠে মারাত্মক যন্ত্রণা? এই ছোট্ট ভুলটা করলেই বড় বিপদ
কী কী করবেন?Image Credit source: Credit: BSIP / Contributor/Getty Images

Oct 08, 2026 | 4:08 PM

ল্যাপটপ (Laptop) খুলে কাজে বসার কিছুক্ষণ পরেই কি ঘাড়ে আর পিঠে টান ধরে? একটানা কাজ শেষে চেয়ার ছেড়ে ওঠার সময় পিঠের যন্ত্রণায় কষ্ট পান অনেকেই। বয়সের কারণে হাড়ের ক্ষয় হওয়া খুব স্বাভাবিক একটি বিষয়। কিন্তু আজকাল কমবয়সিদের মধ্যেও এই ব্যথার প্রবণতা মারাত্মকভাবে বেড়ে গিয়েছে। চিকিৎসকদের মতে, এই সমস্যার পিছনে লুকিয়ে রয়েছে দীর্ঘক্ষণ একটানা স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা এবং ল্যাপটপ রাখার ভুল পদ্ধতি।

অস্থিরোগ বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন , ঘাড়ের মূল কাজ হল মাথাকে সাপোর্ট দেওয়া এবং মাথা ঘোরানো। কিন্তু কেউ যদি ঘণ্টার পর ঘণ্টা ঘাড় নিচু করে স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকেন, তা হলে ঘাড়, মাথা ও কাঁধে যন্ত্রণা হওয়াটা অত্যন্ত স্বাভাবিক ব্যাপার। দিনের পর দিন এই ভুল ভাবে বসে থাকার ফলে মেরুদণ্ড এবং ঘাড়ের স্বাভাবিক গঠন নষ্ট হয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

বর্তমান যুগে ডিজিটাল কাজ ছেড়ে থাকা সম্ভব নয়। তবে কাজের ফাঁকে একটু সচেতন হলেই এই মারাত্মক ক্ষতি এড়ানো সম্ভব। এর জন্য খুব সাধারণ কয়েকটি নিয়ম মাথায় রাখা জরুরি।

ল্যাপটপ কোথায় রাখবেন?

কম্পিউটার বা ল্যাপটপের পর্দা সব সময় ঠিক চোখের সোজাসুজি রাখতে হবে। কাজের সময় যাতে ঘাড় নিচু করতে না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখা খুব জরুরি। প্রয়োজনে স্ট্যান্ড ব্যবহার করা যেতে পারে।

চেয়ারে বসার সঠিক নিয়ম

পিঠ এবং মেরুদণ্ড সোজা করে চেয়ারে বসতে হবে। তবে একেবারে রোবটের মতো শক্ত হয়ে বসে থাকার কোনও প্রয়োজন নেই, বসার ভঙ্গিটি যেন আরামদায়ক হয়। খেয়াল রাখতে হবে, দুই পায়ের পাতা যেন মেঝের সঙ্গে সমান্তরাল ভাবে থাকে।

মাঝে মাঝে বিরতি নেওয়া

কাজের চাপ যতই থাকুক, এক ভাবে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকা শরীরের পক্ষে ক্ষতিকর। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী, প্রতি ৪০-৪৫ মিনিট অন্তর নিজের জায়গা থেকে উঠে দাঁড়ানো উচিত। ঘাড় ডানে-বাঁয়ে ঘুরিয়ে হালকা স্ট্রেচিং করে নিলে উপকার মিলবে। এতে সারা শরীরে রক্ত চলাচল একদম ঠিক থাকবে। মিনিট দুয়েক একটু হেঁটে এসে তারপর আবার কাজ শুরু করা যেতে পারে।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাওয়া জরুরি?

সতর্কতা নেওয়ার পরেও যদি দেখা যায় ঘাড় ও কাঁধের ব্যথা রোজকার সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে, তবে সাবধান হতে হবে। যদি ঘাড় ঘোরাতে সমস্যা হয় কিংবা যন্ত্রণায় ঘাড়-কাঁধ অসাড় হতে শুরু করে, তবে ফেলে না রেখে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কাজের প্রয়োজনে ল্যাপটপ ব্যবহার করতেই হবে, তবে বসার পদ্ধতিতে সামান্য বদল আনলে এই ধরনের শারীরিক কষ্ট থেকে অনায়াসেই দূরে থাকা যায়।

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us