
ঘুম ভাঙার সঙ্গে সঙ্গেই সোশ্যাল মিডিয়া বা অফিসের মেইল চেক করার অভ্যাস ত্যাগ করুন। অন্তত প্রথম এক মিনিট কোনও কাজ নিয়ে না ভেবে শুধু শান্ত হয়ে বসে থাকুন। এটি আপনার মস্তিষ্ককে সারাদিনের লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত করতে সাহায্য করবে। Free Pik

পরের এক মিনিট চোখ বন্ধ করে দীর্ঘশ্বাস নিন এবং ধীরে ধীরে ছাড়ুন। অন্তত তিনবার এটি করলে হৃদস্পন্দন স্বাভাবিক হয় এবং মস্তিষ্কে অক্সিজেনের সরবরাহ বাড়ে। চিকিৎসকদের মতে, এই শ্বাসের ব্যায়াম দুশ্চিন্তা কমাতে ওষুধের মতো কাজ করে। Free Pik

বাকি তিন মিনিট হাত-পা টানটান করে স্ট্রেচিং বা ঘরের মধ্যেই একটু হেঁটে নিন। এতে রাতের জড়তা কাটবে এবং শরীরে 'এন্ডোরফিন' হরমোন ক্ষরিত হবে। শরীর সচল হলে মনের মেঘলা ভাব দ্রুত কেটে গিয়ে চনমনে অনুভূতি তৈরি হয়। Free Pik

মনের অব্যক্ত কথাগুলো কাউকে বলতে না পারলে ডায়েরির পাতায় লিখে ফেলুন। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, মনের ক্ষোভ বা দুঃখ লিখে ফেললে মানসিক চাপ অনেকটাই লাঘব হয়। এটি আপনার একান্ত গোপন জগৎ, যেখানে আপনি সম্পূর্ণ স্বাধীন। Free Pik

মন খুব খারাপ থাকলে ৫ মিনিটের জন্য কোনও পছন্দের ইনস্ট্রুমেন্টাল বা হালকা মেজাজের গান শুনুন। মিউজিক থেরাপি কর্টিসল হরমোনের মাত্রা কমিয়ে মনকে নিমেষে শান্ত করতে সক্ষম। সুরের মূর্ছনা মনের নেতিবাচক চিন্তাগুলোকে দূরে সরিয়ে দেয়। Free Pik

এক কাপ চা বা কফি হাতে নিয়ে জানলার ধারে গিয়ে বসুন। মোবাইল দূরে রেখে বাইরের আকাশ বা গাছপালা দেখুন। আগামীর চিন্তা বা অতীতের আফসোস ছেড়ে শুধুমাত্র ওই মুহূর্তটুকুকে উপভোগ করার চেষ্টা করুন। Free Pik

দিনের নির্দিষ্ট কিছু সময় ইন্টারনেটের দুনিয়া থেকে নিজেকে পুরোপুরি বিচ্ছিন্ন রাখুন। অন্যের জীবনের জৌলুস সোশ্যাল মিডিয়ায় দেখলে নিজের প্রতি অবহেলা বা হীনম্মন্যতা বাড়তে পারে। নিজেকে সময় দেওয়া মানেই হল আসল ডিজিটাল ডিটক্স। Free Pik

সবশেষে নিজেকে প্রশ্ন করুন, "আমি এখন কী চাই?" ছোট ছোট শখ বা ইচ্ছাগুলোকে গুরুত্ব দিলে আত্মবিশ্বাস বাড়ে। নিজের ভাল লাগাকে প্রাধান্য দেওয়া কোনও অপরাধ নয়, বরং সুস্থভাবে বেঁচে থাকার রসদ। Free Pik