Potato Sprouts: আলুর অঙ্কুর কি খাওয়া উচিত?

Food safety research: আলুর স্প্রাউট বা অঙ্কুরিত আলু কি ছোলা-মুগের মতোই স্বাস্থ্যকর? বাড়িতে রাখা আলুতে একটু অঙ্কুর বেরোলে অনেকে সেটা কেটে নির্দ্বিধায় রান্নায় দিয়ে দেন। কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান ও সাম্প্রতিক গবেষণা এই নিয়ে এমন কিছু তথ্য দিচ্ছে, যা জানলে চমকে যাবেন। সামান্য কিছু টাকা বাঁচাতে গিয়ে অজান্তেই কি নিজের ও পরিবারের মারাত্মক ক্ষতি করছেন?

Nov 02, 2026 | 1:00 PM

1 / 8
আলুর স্প্রাউট বা অঙ্কুর কি ছোলা বা মুগের মতোই স্বাস্থ্যকর, এই প্রশ্ন অনেকের মনে থাকলেও চিকিৎসা বিজ্ঞান কিন্তু অন্য কথা বলছে। ইউএসএ-র ন্যাশনাল ক্যাপিটাল পয়জন সেন্টার-এর মতে, আলু থেকে বের হওয়া অঙ্কুর কোনও পুষ্টিকর খাবার নয়, বরং এটি মারাত্মক বিপজ্জনক। ভুলবশত বা অসচেতনতাবশত এই অঙ্কুরিত অংশটি খেয়ে ফেললে শরীরে গুরুতর বিষক্রিয়া হতে পারে। Picture Courtesy- AI tool

আলুর স্প্রাউট বা অঙ্কুর কি ছোলা বা মুগের মতোই স্বাস্থ্যকর, এই প্রশ্ন অনেকের মনে থাকলেও চিকিৎসা বিজ্ঞান কিন্তু অন্য কথা বলছে। ইউএসএ-র ন্যাশনাল ক্যাপিটাল পয়জন সেন্টার-এর মতে, আলু থেকে বের হওয়া অঙ্কুর কোনও পুষ্টিকর খাবার নয়, বরং এটি মারাত্মক বিপজ্জনক। ভুলবশত বা অসচেতনতাবশত এই অঙ্কুরিত অংশটি খেয়ে ফেললে শরীরে গুরুতর বিষক্রিয়া হতে পারে। Picture Courtesy- AI tool

2 / 8

'জার্নাল অফ এগ্রিকালচারাল অ্যান্ড ফুড কেমিস্ট্রি'-তে প্রকাশিত গবেষণা অনুযায়ী, অঙ্কুরিত আলুতে 'গ্লাইকোঅ্যালকালয়েড' নামক অত্যন্ত বিষাক্ত উপাদান থাকে। এর প্রধান দুটি অংশ হল সোলোনিন এবং চ্যাকোনিন, যা মূলত প্রাকৃতিক নিউরোটক্সিন হিসেবে মানুষের স্নায়ুতন্ত্রের ব্যাপক ক্ষতি করে। আলুর এই বিষাক্ত অংশটি খেলে একজন সুস্থ মানুষের শরীরও নিমেষেই খারাপ হতে পারে। Picture Courtesy- AI tool

3 / 8

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং এফএও-র গবেষণা বলছে, পোকামাকড় ও ফাঙ্গাসের হাত থেকে বাঁচতে আলু প্রাকৃতিকভাবেই এই আত্মরক্ষামূলক বিষ তৈরি করে। যখনই আলুতে অঙ্কুর বের হয় এবং তা আলো-বাতাসের সংস্পর্শে আসে, তখন এই সোলোনিনের মাত্রা মানবদেহের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর স্তরে পৌঁছে যায়। তাই কোনও অবস্থাতেই আলুর এই অঙ্কুরিত অংশটি রান্নায় ব্যবহার করা বা খাওয়া উচিত নয়। Picture Courtesy- AI tool

4 / 8

ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশন জানাচ্ছে, আলুর স্প্রাউট পেটে গেলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা শুরু হতে পারে। এর ফলে বমি বমি ভাব, তীব্র ডায়রিয়া, প্রচণ্ড পেট ব্যথা এবং গলা জ্বালার মতো কষ্টকর উপসর্গ দেখা দেয়। এই বিষক্রিয়ার প্রভাব রোগীর শরীরে কখনও কখনও বেশ কয়েকদিন পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারে। Picture Courtesy- AI tool

5 / 8

'ক্লিনিক্যাল টক্সিকোলজি' জার্নালের তথ্য অনুযায়ী, বেশি মাত্রায় সোলোনিন শরীরে প্রবেশ করলে তা স্নায়বিক জটিলতা তৈরি করে। এর ফলে তীব্র মাথাব্যথা, জ্বর, হ্যালুসিনেশন থেকে শুরু করে গুরুতর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট বা প্যারালাইসিস হওয়ার চরম ঝুঁকি থাকে। তাই এই ধরনের বিষক্রিয়ার হাত থেকে বাঁচতে আলুর অঙ্কুর এড়িয়ে চলা ভীষণ জরুরি। Picture Courtesy- AI tool

6 / 8

গবেষণা বলছে, শুধু অঙ্কুর কেটে ফেললেই আলু নিরাপদ হয় না, বিশেষ করে যদি আলুর গায়ে সবুজ দাগ থাকে। সবুজ হওয়া মানেই সেখানে সোলোনিন বিষের মাত্রা সমান্তরালভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা সেদ্ধ বা রান্না করলেও নষ্ট হয় না। তাই আলুর বিস্তীর্ণ অংশ সবুজ হয়ে গেলে বা নরম হয়ে গেলে পুরো আলুটা ফেলেই দেওয়া সবচেয়ে নিরাপদ। Picture Courtesy- AI tool

7 / 8

কৃষি ও খাদ্য সংরক্ষণ বিজ্ঞানীদের মতে, আলুর অঙ্কুরোদগম আটকাতে একে রোদ বা আলো থেকে দূরে অন্ধকার ও ঠান্ডা জায়গায় সংরক্ষণ করা উচিত। প্যাকেট বা প্লাস্টিকের ব্যাগের বদলে খোলা ঝুড়িতে আলু রাখলে তা আর্দ্রতার হাত থেকে বেঁচে বেশিদিন ভালো থাকে। এছাড়াও পেঁয়াজের সঙ্গে আলু রাখলে তা দ্রুত অঙ্কুরিত হয়, তাই এই দুটি জিনিস আলাদা রাখা দরকার। Picture Courtesy- AI tool

8 / 8

সব মিলিয়ে খাদ্য নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর সাধারণ নির্দেশিকা হল, আলুর অঙ্কুর খাওয়া মানেই নিজের অজান্তে চরম বিপদ ডেকে আনা। বাজার থেকে আলু কেনার সময় সর্বদা খেয়াল রাখুন তাতে যেন কোনও গজানো অঙ্কুর বা সবুজ ভাব না থাকে। নিজেকে ও পরিবারকে সুস্থ রাখতে এই ছোট কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বৈজ্ঞানিক নিয়মটি অবশ্যই মেনে চলুন। Picture Courtesy- AI tool

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us