
বসন্তের শেষ থেকে গোটা গ্রীষ্মকাল জুড়ে সজনে ডাঁটা বাঙালির পাতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। হালকা সর্ষে বা পোস্ত দিয়ে তৈরি এই চচ্চড়ি শরীরকে ভেতর থেকে শীতল রাখতে সাহায্য করে। এর ওষধি গুণ উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী। Free Pik

উচ্ছে বা করলা দিয়ে তৈরি মুগ ডাল কিংবা মটর ডাল গরমের দুপুরে এক স্বর্গীয় অনুভূতি। অল্প আদা বাটা আর পাঁচফোড়নের গন্ধে এই ডাল বিস্বাদ মুখে রুচি ফিরিয়ে আনে। তেঁতোর গুণাগুণ শরীরকে ডিটক্স করে এবং রক্ত পরিষ্কার রাখতে বিশেষ ভূমিকা নেয়। Free Pik

তেঁতো পছন্দ না করলে লাউ শুক্তো বানাতে পারেন। এটি হজমের জন্য সবথেকে নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর। এই শুক্তো শরীরকে আর্দ্র রাখতে এবং পেট ঠান্ডা রাখতে কাজ করে। গরমের দুপুরে ভাতের পাতে প্রথম পদ হিসেবে লাউ শুক্তোর কোনও বিকল্প নেই। Free Pik

কাঁচা আম দিয়ে পাতলা মুসুর ডাল মানেই বাঙালির নস্টালজিয়া। টক-মিষ্টি এই ডাল শুধু সুস্বাদুই নয়, এটি হিট স্ট্রোক প্রতিরোধ করতেও অত্যন্ত কার্যকরী। তপ্ত দুপুরে একবাটি আম ডাল নিমেষেই ক্লান্তি দূর করে শরীরকে তরতাজা করে তোলে। Free Pik

গরমে ঝিঙের মতো জলীয় সবজি শরীরের জলের অভাব মেটাতে বড় ভূমিকা পালন করে। তাই বানাতে পারেন ঝিঙে-পোস্ত, অল্প মশলায় জিভে জল আনা তৃপ্তিদায়ক এই খাবারে মন ভরবেই। পোস্ত ঘুমের মান উন্নত করতে এবং শরীরকে ভেতর থেকে ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করে। Free Pik

যাঁরা গরমে মাছ-মাংস এড়িয়ে চলতে চান, তাঁদের জন্য ডালের বড়া দিয়ে লাউয়ের ঝোল আদর্শ ও পুষ্টিকর পদ। লাউয়ের গুণাগুণ শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রেখে শান্তি দেয়। মচমচে ডালের বড়া এই সাদামাটা ঝোলকে করে তোলে দারুণ মুখরোচক ও আকর্ষণীয়। Free Pik

দুপুরের খাওয়া শেষে একবাটি ঠান্ডা প্লাস্টিক চাটনি বা আমের চাটনি না হলে ভোজটা ঠিক জমে না। কাঁচা আমের ভিটামিন সি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং হজমে দারুণ সহায়তা করে। অল্প পাঁচফোড়ন আর শুকনো লঙ্কার ফোড়নে তৈরি এই চাটনি গরমের সেরা ‘ডেজার্ট’। Free Pik

তীব্র রোদে বাইরে থেকে ফিরে এক গ্লাস ঠান্ডা ঘোল বা গন্ধরাজ লেবুর শরবত জাদুর মতো কাজ করে। এটি শরীরের ইলেকট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক রাখে এবং তাৎক্ষণিক শক্তি যোগাতে সাহায্য করে। চিনি ছাড়া নুন আর ভাজা জিরে গুঁড়ো দিয়ে তৈরি এই পানীয়ই গরমে বাঙালির সেরা বন্ধু। Free Pik