
আজ কোটি কোটি টাকার মালকিন হলেও, একটা সময় কিন্তু ছবিটা ছিল একেবারেই অন্যরকম। ১৯৮৮ সালের ২২ অক্টোবর হরিয়ানার আম্বালায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম হয় তাঁর। ছোটবেলায় পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা সচ্ছল ছিল না।
আজ তিনি কোটি টাকার মালকিন হলেও, একটা সময় কিন্তু ছবিটা অন্যরকম ছিল। ১৯৮৮ সালের ২২ অক্টোবর হরিয়ানার আম্বালায় এক মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম হয় তাঁর। ছোটবেলায় পরিবারের আর্থিক অবস্থা খুব একটা সচ্ছল ছিল না।
চরম অভাবের কারণে এমন দিনও গিয়েছে, যখন জন্মদিনে একটা কেক কেনার সামর্থ্যও ছিল না পরিবারের। এক পুরনো সাক্ষাৎকারে ছোটবেলার সেই কঠিন লড়াইয়ের কথা নিজেই জানিয়েছিলেন বলিউড ডিভা পরিণীতি চোপড়া। কেকের বদলে তখন বাজার থেকে আসত রসগোল্লা বা রসমলাই।
সেই রসগোল্লা কেটেই অত্যন্ত আনন্দে নিজের জন্মদিন পালন করতেন ছোট্ট পরিণীতি। তবে ছোটবেলা থেকে অভিনয়ের দিকে কিন্তু তাঁর বিন্দুমাত্র ঝোঁক ছিল না। বরং পড়াশোনায় রীতিমতো মেধাবী ছাত্রী ছিলেন বলিউডের এই জনপ্রিয় নায়িকা।
আম্বালায় স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে তিনি সোজা পাড়ি দেন ইংল্যান্ডে। সেখানে বিজনেস, ফিন্যান্স এবং ইকোনমিক্স নিয়ে উচ্চশিক্ষা সম্পূর্ণ করেন। একটা ভালো চাকরি করাই ছিল তাঁর একমাত্র স্বপ্ন, কিন্তু ভাগ্যের খাতায় লেখা ছিল অন্য চিত্রনাট্য!
দেশে ফিরে যশরাজ ফিল্মসের মার্কেটিং এবং পাবলিক রিলেশন বিভাগে কাজ শুরু করেন পরিণীতি। আর সেখানেই কাজের ফাঁকে সিনেমায় অভিনয়ের এক অভাবনীয় সুযোগ চলে আসে। ২০১১ সালে 'লেডিজ ভার্সেস রিকি বহল' ছবির হাত ধরে সোজা বলিউডে এন্ট্রি নেন তিনি।
প্রথম ছবিতেই একেবারে বাজিমাত! দুর্দান্ত অভিনয়ের জন্য সেরা নবাগতা হিসেবে জিতে নেন ফিল্মফেয়ার পুরস্কার। এরপর ২০১২ সালে আসে 'ইশকজাদে', আর অর্জুন কাপুরের বিপরীতে 'জোয়া' চরিত্রটি রাতারাতি তাঁকে স্টার বানিয়ে দেয়।
এরপর আর কখনও পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। 'শুদ্ধ দেশি রোম্যান্স', 'হাসি তো ফাসি' থেকে শুরু করে হালের 'অমর সিং চমকিলা', সবেতেই তিনি অনবদ্য।