
বর্তমান সময়ে মোবাইল ও ল্যাপটপ দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাস্তুশাস্ত্রবিদদের মতে, স্ক্রিনে থাকা ছবি মানুষের অবচেতন মনে গভীর প্রভাব ফেলে। ওয়ালপেপার যদি অশুভ বা নেতিবাচক হয়, তবে তা মানসিক শান্তি বিঘ্নিত করার পাশাপাশি জীবনের অগ্রগতিতেও বাধা সৃষ্টি করে। Free Pik

বাঘ, সিংহ বা যেকোনও শিকারি পশুর আক্রমণাত্মক ছবি ওয়ালপেপারে রাখা অনুচিত। আধুনিক বাস্তু অনুযায়ী, এই ধরনের দৃশ্য মানুষের আচরণে উগ্রতা ও বিরক্তি বাড়িয়ে দেয়। এটি ব্যক্তিগত ও কর্মক্ষেত্রে সম্পর্কের অবনতি ঘটানোর অন্যতম কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। Free Pik

জনমানবহীন বাড়ি, অন্ধকার গলি বা ধ্বংসাবশেষের ছবি দেখতে আকর্ষণীয় হলেও ফোনে রাখা ঠিক নয়। এই ধরনের ছবি একাকীত্ব এবং অবসাদের প্রতীক হিসেবে কাজ করে। ক্রমাগত এই দৃশ্যগুলি চোখের সামনে থাকলে ব্যক্তির উদ্দীপনা হারিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। Free Pik

যুদ্ধ বা অস্ত্রশস্ত্রের ছবি মনে অস্থিরতা ও নেতিবাচকতা তৈরি করে। বাস্তুর নিয়ম অনুযায়ী, স্ক্রিনে লড়াই বা বিবাদের ছবি থাকলে তা মানসিক চাপের কারণ হয়ে ওঠে। এর ফলে কাজে মনোযোগ দেওয়া কঠিন হয় এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষমতা হ্রাস পায়। Free Pik

কান্নারত মুখ বা বিষণ্ণ কোনও মানুষের প্রতিকৃতি ফোনের স্ক্রিনে রাখা অত্যন্ত অশুভ বলে মনে করা হয়। এটি জীবনে নেতিবাচক শক্তির সঞ্চার করে। সৌভাগ্য এবং সমৃদ্ধি বজায় রাখতে সব সময় উজ্জ্বল ও ইতিবাচক ছবি ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয়। Free Pik

ফোনের ডেস্কটপে বা ল্যাপটপের স্ক্রিনে অগোছালো ফাইল এবং অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ রাখা বাস্তু দোষের পর্যায়ভুক্ত। একে 'ডিজিটাল ক্লাটার' বলা হয়, যা মনের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন স্ক্রিন কাজের গতি বাড়াতে এবং মানসিক স্বচ্ছতা বজায় রাখতে সহায়ক। Free Pik

কেবল ওয়ালপেপার নয়, ফোনের আওয়াজও বাস্তুর আওতাভুক্ত। অতি কর্কশ বা ভয়ংকর কোনো রিংটোন এবং নোটিফিকেশন শব্দ স্নায়ুতন্ত্রের ওপর বিরূপ প্রভাব ফেলে। বাস্তু বিশেষজ্ঞদের মতে, ফোনের টোন সব সময় মৃদু ও ছন্দময় হওয়া বাঞ্ছনীয়। Free Pik

ঘুমানোর সময় মাথার কাছে মোবাইল রাখা বাস্তু মতে অশুভ। এটি রাহু ও কেতুর নেতিবাচক প্রভাব বৃদ্ধি করতে পারে বলে মনে করা হয়। শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার জন্য ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে ডিজিটাল মাধ্যম থেকে দূরে থাকা এবং ফোন নিরাপদ দূরত্বে রাখা জরুরি। Free Pik