
পয়লা বৈশাখের সকালে বেশি তেল-মশলাযুক্ত খাবারের বদলে ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার বেছে নিন। ওটস, চিঁড়ে বা ব্রাউন ব্রেডের স্যান্ডউইচ প্রাতরাশে রাখা সবথেকে নিরাপদ। এতে পেট দীর্ঘক্ষণ ভর্তি থাকবে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাবে না। freepik

উৎসবের দিনে মিষ্টি একেবারে বাদ দেওয়া কঠিন, তাই বেছে নিন ছানার তৈরি শুকনো মিষ্টি। রসগোল্লা খেলে রস চিপে নিন, আর মনে রাখবেন একটির বেশি মিষ্টি না খাওয়াই শ্রেয়। চিনির বদলে গুড় বা স্টিভিয়া দিয়ে তৈরি মিষ্টি এখন বাজারে সহজলভ্য, সেগুলোও চেখে দেখতে পারেন। freepik

দুপুরের মেনুতে ভাতের পরিমাণ কমিয়ে তার বদলে সবজি এবং ডালের ওপর বেশি জোর দিন। বাসন্তী পোলাও বা ফ্রায়েড রাইস খেলে অল্প পরিমাণে খান এবং সঙ্গে অবশ্যই প্রচুর স্যালাড রাখুন। ফাইবারের উপস্থিতিতে কার্বোহাইড্রেট শরীরে দেরিতে শোষিত হয়, যা সুগার নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। freepik

নববর্ষের স্পেশাল মেনুতে মুরগি বা মাছের হালকা ঝোল রাখা যেতে পারে। খাসির মাংস খেতে ইচ্ছা হলে খুব সামান্য পরিমাণে নিন এবং চর্বিহীন অংশ বেছে নিন। রান্নায় ঘি বা মাখনের বদলে অলিভ অয়েল অথবা খুব সামান্য সাদা তেল ব্যবহার করা ভালো। freepik

গরমের এই উৎসবে কোল্ড ড্রিঙ্কস বা প্যাকেটজাত ফলের রস এড়িয়ে চলাই বুদ্ধিমানের কাজ। এগুলোর বদলে ডাবের জল, ঘোল বা লেবুর জল (চিনি ছাড়া) তৃষ্ণা মেটাতে ব্যবহার করুন। টাটকা টক দই বা রায়তা আপনার হজমশক্তি বাড়াতে এবং শরীর ঠান্ডা রাখতে সাহায্য করবে। freepik

সারাদিন উৎসবের ধকল আর ভারী খাওয়ার পর রাতে একদম হালকা খাবার বেছে নিন। দুটি হাতে গড়া রুটি এবং এক বাটি তরকারি বা সবজি ডিনারের জন্য আদর্শ। ঘুমানোর অন্তত ২-৩ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার সেরে ফেলার চেষ্টা করুন। freepik

উৎসবের দিনও শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করা অত্যন্ত জরুরি। যদি দুপুরে একটু বেশি খাওয়া হয়ে যায়, তবে সন্ধ্যায় অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটাহাঁটি করুন। শারীরিক সক্রিয়তা রক্তে জমে থাকা বাড়তি গ্লুকোজ ঝরিয়ে ফেলতে সাহায্য করবে। freepik

পয়লা বৈশাখের আনন্দ বজায় রাখতে গ্লুকোমিটার দিয়ে মাঝে মাঝে সুগার চেক করে নিন। মনে রাখবেন, ডায়াবেটিস মানেই সব খাবার বন্ধ নয়, বরং পরিমিত পরিমাণে সবকিছুর স্বাদ নেওয়া। সঠিক পরিকল্পনা আর সংযম থাকলে আপনার এবারের নববর্ষও কাটবে রঙিন এবং সুস্থ। freepik