Wash pillows by hand: বালিশের বারোটা বাজবেই না! বাড়িতেই চটপট কাচুন এভাবে
Clean pillows at home: বালিশ পরিষ্কারের কথা উঠলেই অনেকে পিছিয়ে যান, তবে মেশিনের ঝক্কি ছাড়াই খুব সহজে বাড়িতেই হাতের সাহায্যে বালিশ নতুনের মতো ঝকঝকে করে তোলার দারুণ কিছু কৌশল জেনে নিন।
প্রতি সপ্তাহে বিছানার চাদর বা কভার কাচা হলেও, আসল বালিশটা কিন্তু মাসের পর মাস ময়লা জমতে জমতে একাকার হয়ে যায়! ধোয়ার আগে কেয়ার লেবেলটা দেখে নেওয়া জরুরি, কারণ পলিয়েস্টার বা পালকের বালিশ জলে ধোয়া গেলেও, মেমরি ফোম জলে ভেজানো একদম উচিত নয়। ফোমের বালিশে দাগ লাগলে ভিজে কাপড় দিয়ে হালকা করে মুছে নেওয়াই হল সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। Getty Images
প্রতি সপ্তাহে বিছানার চাদর বা কভার কাচা হলেও, আসল বালিশটা কিন্তু মাসের পর মাস ময়লা জমতে জমতে একাকার হয়ে যায়! ধোয়ার আগে কেয়ার লেবেলটা দেখে নেওয়া জরুরি, কারণ পলিয়েস্টার বা পালকের বালিশ জলে ধোয়া গেলেও, মেমরি ফোম জলে ভেজানো একদম উচিত নয়। ফোমের বালিশে দাগ লাগলে ভিজে কাপড় দিয়ে হালকা করে মুছে নেওয়াই হল সবচেয়ে নিরাপদ পদ্ধতি। Getty Images
বাড়িতে বালিশ ধোয়ার জন্য দামি কোনও উপকরণের প্রয়োজন নেই, শুধু একটা বড় বালতি বা গামলা জোগাড় করে নিন। কড়া ডিটারজেন্ট পাউডারের বদলে সবসময় মাইল্ড লিকুইড ডিটারজেন্ট ব্যবহার করবেন, এতে বালিশের ভেতরে সাদা দাগ জমা হওয়ার ভয় থাকে না। এর সঙ্গে দুটো শুকনো সুতির তোয়ালেও হাতের কাছে রাখুন যা পরে জল টানতে সাহায্য করবে। Getty Images
কভার খোলার পর বালিশের গায়ে থাকা হলদেটে ঘামের বা তেলের দাগগুলোতে কয়েক ফোঁটা লিকুইড সাবান লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষে নিন। এবার বালতিতে হালকা গরম জল নিয়ে তাতে মাত্র এক বা দুই ছিপি লিকুইড ডিটারজেন্ট মিশিয়ে নিন। খুব বেশি সাবান দিলে পরে ফেনা পরিষ্কার করা কঠিন হয়ে যায়, তাই সাবান কম রাখাই বুদ্ধিমানের কাজ। Getty Images
হালকা গরম সাবান জলে বালিশটাকে পুরোপুরি ডুবিয়ে দিন যাতে প্রতিটি কোণায় জল পৌঁছায়। এরপর চারপাশ থেকে হালকা করে চেপে চেপে দিন যাতে সাবান জল একদম ভেতরে গিয়ে জমে থাকা ধুলোময়লা বের করে আনতে পারে। গামলার জলটা ময়লা হয়ে গেলে বুঝবেন আপনার বালিশ অবশেষে তার বহু প্রতীক্ষিত স্পা ট্রিটমেন্ট পাচ্ছে! Getty Images
জেদি দাগ ও গন্ধ দূর করতে বালিশটাকে ১৫ থেকে ৩০ মিনিটের জন্য গামলার জলেই চুপচাপ ভিজতে দিন। ভেজানো হয়ে গেলে নোংরা জল ফেলে দিয়ে পরিষ্কার জলে বালিশটাকে বারবার ধুতে থাকুন। যতক্ষণ না ফেনা পুরোপুরি বের হচ্ছে ততক্ষণ হালকা হাতে চাপ দিতে থাকুন, কারণ সাবান থেকে গেলে পরে আরও বেশি ধুলো জমবে। Getty Images
ভেজা কাপড় নিংড়ানোর মতো করে বালিশ কখনও মোচড়াবেন না, এতে ভেতরের ফাইবার নষ্ট হয়ে বালিশ এবড়োখেবড়ো হয়ে যায়। এর বদলে বাথরুমের পরিষ্কার মেঝেতে বালিশটা সমতলভাবে রেখে হাতের তালু দিয়ে চেপে চেপে জল বের করে দিন। এই সাবধানে জল বের করার পদ্ধতিটি আপনার বালিশের আকার এবং ফোলাভাব একদম নতুনের মতো ধরে রাখবে। Getty Images
এবার একটা শুকনো তোয়ালের ওপর ভেজা বালিশটা রেখে রুটির রোলের মতো বেশ শক্ত করে মুড়িয়ে ফেলুন। রোলের ওপর এক মিনিট মতো চাপ দিয়ে রাখুন যাতে তোয়ালেটা বাড়তি জলটুকু পুরোপুরি শুষে নিতে পারে। এরপর খুলে নিয়ে আরেকটা শুকনো তোয়ালে দিয়ে একই কাজ করুন, দেখবেন বালিশ শুকোনোর সময় অনেকটাই কমে গিয়েছে। Getty Images
কড়া রোদে সমতল জায়গায় বালিশটি শুকাতে দিন, কারণ সূর্যের আলো প্রাকৃতিক জীবাণুনাশক হিসেবে দারুণ কাজ করে। প্রতি দু-তিন ঘণ্টা অন্তর বালিশটা উল্টে দিতে ভুলবেন না এবং ব্যবহারের আগে বালিশের মাঝখানটা পুরোপুরি শুকিয়েছে কিনা সেটা অবশ্যই দেখে নেবেন। একেবারে নিখুঁতভাবে শুকনো একটা বালিশ আপনাকে এনে দেবে এক দারুণ শান্তির ঘুম! Getty Images