
সেদ্ধ চাল ছাড়াও হেঁশেলে মজুত রাখতে হয় বাসমতী, গোবিন্দভোগও। কখনও বিরিয়ানি রাঁধবেন ভাবেন, তো কখনও পায়েস। তাই কিছু চাল বাড়িতে রাখতেই হয়।

আবার অনেকে ডায়েটের কথা ভেবে ব্রাউন রাইসও কেনেন কয়েক'শ টাকা খরচ করে। কিন্তু এসব চাল প্রতিদিন রান্না হয় না। তাই রান্নাঘরের তাকে পড়েই থাকে।

দীর্ঘদিন ধরে হেঁশেলে কৌটোবন্দি হয়ে পড়ে থাকলে দেখা যায় চালে পোকা ধরে গিয়েছে। দাম দিয়ে কেনা চাল ফেলতে ইচ্ছে যায় না। তাই চাল সংরক্ষণ সহজ টোটকা জানা দরকার।

চাল রাখুন হেঁশেলের শুকনো জায়গায়। যেখানে আর্দ্রতার পরিমাণ বেশি, স্যাঁতস্যাঁতে জায়গা, রোদ আসে—এমন জায়গায় চাল সংরক্ষণ করবেন না।

যদি কৌটোতে চাল সংরক্ষণ করেন, তাহলে সেটা এয়ার টাইট হওয়া জরুরি। কৌটো ভর্তি চাল হেঁশেলে তাকে রাখার পাশাপাশি আপনি ফ্রিজে রাখতে পারেন।

বর্ষাকালে চালে বেশি পোকা ধরে। চালকে পোকার হাত থেকে বাঁচাতে বস্তায় বা কৌটোয় কয়েকটা তেজপাতা রেখে দিন। নিম পাতা রাখলেও চালে পোকা ধরবে না।

চালের বস্তা বা কৌটোর পাশে কোনও মশলার কৌটো রাখবেন না। জিরে, ধনের মতো গোটা গরম মশলার গন্ধ চটজলদি চাল ধরে নেবে। এতে ভাতের স্বাদ বদলে যেতে পারে।

দীর্ঘদিন ধরে যদি চাল কৌটোবন্দি হয়ে পড়ে থাকে, তাহলে রোদে দিন। রোদে একটু চাল ছড়িয়ে দিন। কড়া রোদে রাখার পর আবার কৌটোবন্দি করে তুলে রাখুন। এতে চাল দীর্ঘদিন ভাল থাকবে।