
বিদায়লগ্নে শীত। বইতে শুরু করেছে বসন্তের হাওয়া। শীত চলে গিয়েছে ভেবে অনেকেই এই সময়ে ত্বকের অবহেলা করেন। কিন্তু, এখনও ত্বকে টান ধরছে। এই সময়ে যথাযথ যত্ন না নিলে ত্বক রুক্ষ, শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। যার ফলে অকাল বার্ধক্যজনিত লক্ষণ দেখা দিতে পারে

ত্বক জেল্লাদার করতে কে না চায়! মুখ আরও উজ্জ্বল করে তুলতে অনেকে অনেক রকম প্রসাধনী ব্যবহার করেন। কিন্তু, জানেন কি কোরিয়ান ভিটামিন ই ফেস সিরাম ব্যবহার করেই মুখ হয়ে উঠতে পারে উজ্জ্বল

গ্লাইকোলিক অ্যাসিড হল এক ধরনের আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড, যা জৈব অ্যাসিডের যৌগ। এটি প্রাকৃতিকভাবে আখ-সহ বিভিন্ন ধরনের ফল এবং দুধে পাওয়া যায়। এছাড়া বর্তমানে গ্লাইকোলিক অ্যাসিড-যুক্ত বিভিন্ন প্রসাধন সামগ্রী মার্কেটে পাওয়া যায়

গ্লাইকোলিক অ্যাসিড কোলাজেন উৎপাদনকে উদ্দীপিত করে, যা ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ প্রোটিন। এটি ত্বকের স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। ফলে ত্বকের মৃত কোষকে সরিয়ে বলিরেখা কমাতে, ত্বকের উজ্জ্বলতা বজায় রাখতে কার্যকরী গ্লাইকোলিক অ্যাসিড

ঘি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর, যা ত্বকের রুক্ষতা ও অকাল বার্ধক্য কাটাতে খুবই কার্যকরী। তাই ত্বককে বলিরেখা-মুক্ত ও টানটান রাখকে এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ডায়েটে ঘি রাখুন। গরম ভাত দিয়ে বা ঘি দিয়ে রান্না করা খাবার হোক, দু'টোই কাজ দেয়

হাইপারপিগমেন্টেশন কমানোর অব্যর্থ ওষুধ গ্লাইকোলিক অ্যাসিড। ফলে মুখের কালো দাগ, চোখের নীচে কালো ছোপ কাটাতে এবং ব্রণ কমাতে গ্লাইকোলিক অ্যাসিড-যুক্ত প্রসাধনী ব্যবহার করা উচিত

শীত শেষ হয়ে বসন্ত আসছে। বলা ভাল, গরম পড়তে শুরু করেছে। ফেব্রুয়ারির শেষেই কলকাতার তাপমাত্রা উঠে গিয়েছে ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে। এখনই বাসে-ট্রেনে যেতে গেলে ঘাম ঝরছে। বাড়িতে পাখা চালাতে হচ্ছে। আবার সন্ধ্যার পর তাপমাত্রা নামছে। ফলে এই সময়ে ঠান্ডা-গরমে শরীর অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকে

ত্বকের সমস্যা কমাতে রোজ সকালে ঘুম থেকে উঠে এবং রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে গ্লাইকোলিক অ্যাসিড-যুক্ত প্রসাধনী দিয়ে মুখ ধোবেন। তবে যাঁরা প্রথম গ্লাইকোলিক অ্যাসিড-যুক্ত পণ্য ব্যবহার করছেন, তাঁদের শুরুতে মৃদু ঘনত্ব যুক্ত ক্রিম ব্যবহার করার পরামর্শ দেন ত্বক বিশেষজ্ঞরা