
দোলের দিন বাচ্চারাই সবচেয়ে বেশি আনন্দ করে। দোল খেলার জন্য আবির, পিচকারি, জল ভর্তি বেলুন নিয়ে বাচ্চারা সকাল থেকেই তৈরি।

বাচ্চার রং খেলতে নামলে সঙ্গে বাড়ির বড়রা থাকা দরকার। দোলের দিন রং খেলতে গিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে যে কোনও সময়। কিন্তু রং খেলার পর বাচ্চার গা থেকে রং তুলবেন, কীভাবে?

বাচ্চার চোখে যাতে রং ঢুকে না যায়, কোনও আঘাত না পায়, সে দিকে বার বার নজর দেন। কিন্তু দোল খেলার শেষে, বাচ্চাকে স্নান করানোর সময় সচেতন থাকেন কি? সাবান দিয়ে জোরে ঘষলেই যে রং উঠবে, এমন নয়।

আজকাল যে সব রং পাওয়া যায়, তাতে ভেজাল মেশানো থাকে। এই ধরনের রাসায়নিক যুক্ত রং ত্বকের ক্ষতি করে। সেক্ষেত্রে গায়ে সাবান ঘষলেই রং উঠবে না। বরং, আপনাকে সাহায্য নিতে হবে ঘরোয়া টোটকার।

খেলা শেষ করার আগে বেসন ও টক দই দিয়ে প্যাক বানিয়ে রাখুন। রং খেলে এলেই বাচ্চার গা-হাত-পায়ে এই প্যাক লাগিয়ে দিন। ৩০ মিনিট রেখে তারপর স্নান করিয়ে দিন। এতে ত্বকের উপর রঙের ক্ষতিকারক প্রভাব পড়বে না।

বাচ্চার ত্বক সংবেদনশীল হয়। বেশি সাবান প্রয়োগের কারণে ত্বক আরও শুষ্ক হয়ে ওঠে। এক্ষেত্রে ময়দার সঙ্গে দুধ মিশিয়ে ত্বকে মাখান। এতে দোলের রং উঠে যাবে এবং ত্বকও কোমল থাকবে।

ভেষজ রং খুব বেশি ত্বকের ক্ষতি করে না। স্নানের সময় ভাল করে সাবান মাখলেই বেশিরভাগ রং উঠে যায়। কিন্তু স্নানের পর ত্বক আরও শুষ্ক ও রুক্ষ হয়ে উঠে। তাই স্নান সেরে বাচ্চার গায়ে ময়েশ্চারাইজার মাখাতে ভুলবেন না।

রাসায়নিক মেশানো রং ব্যবহারের কারণে বাচ্চার গায়ে র্যাশ বেরোতে পারে। সেক্ষেত্রে বাচ্চার হাত-পায়ে অ্যালোভেরা জেল লাগাতে পারেন। তাতেও ত্বকের লালচে ভাব, জ্বালাভাব ও অস্বস্তি না কমলে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।