
সামনেই ১৫ অগস্ট। লং উইকএন্ড। তারপর মাস দেড়েক পর পুজো। লম্বা ছুটি। ইতিমধ্যেই কোথায় বেড়াতে যাবেন, কোন ডেস্টিনেশনে ছুটি কাটাবেন ঠিক করে নিয়েছেন। হোটেল বুক করেছেন কি?

আজকাল ডেস্টিনেশন ঠিক করা মাত্র টিকিট কেটে নিতে হয়। বিশেষত, ছুটির দিনগুলো। টিকিট কাটার ঝক্কির পর আসে হোটেল বুকিং। এখানেও মনের মতো হোটেল, বাজেট ফ্রেন্ডলি ঠিকানা খুঁজতে কালঘাম ছুটে যায় বাঙালির।

ট্রেন-বিমানের টিকিটের খরচ, গাড়ি ভাড়া, খাওয়া-দাওয়ার খরচ সবই রয়েছে। আজকাল ৫ দিনের ট্রিপে গেলেও ২০ হাজার টাকা কীভাবে বেরিয়ে যায়, অনেক সময় হিসেব থাকে না। এর মধ্যে কম খরচে ভাল হোটেল খুঁজে বের করবেন কীভাবে?

১৫ অগস্ট, দুর্গা পুজো ও দীপাবলি, ক্রিসমাস, ৩১ ডিসেম্বর এই সব সময় ভাল মানের হোটেল কম খরচে খুঁজে পাওয়া খুব চাপের। আর যে অফবিটেই যান না কেন থিকথিক করছে পর্যটক।

ছুটির দিনের পাশাপাশি উইকএন্ডগুলো এড়িয়ে বেড়াতে যান। সপ্তাহের অন্যান্য দিনের তুলনায় শনি-রবি হোটেলের ভাড়া বেশি থাকে। তাছাড়া ভাল মানের হোটেল এই সময় নাও মিলতে পারে। চেষ্টা করুন এমন সময় বেড়াতে যাওয়ার যখন পর্যটকের ভিড় কম থাকে।

যেখানে বেড়াতে যাচ্ছেন, তার খুঁটিনাটি আগে থেকেই গুগল সার্চ করে নিচ্ছেন। সেখানেই হোটেলের তালিকাও বেরিয়ে আসছে। দেখে নিন কোন কোন হোটেল নতুন তৈরি হয়েছে। সেখানে কম ভাড়া ও ভাল পরিষেবা পেতে পারেন।

শেষ মুহূর্তে হোটেল বুকিং করলে অনেক অঙ্কের টাকা গুনতে হবে। আগেভাগে যেমন ট্রেনের টিকিট কেটেছেন, একইভাবে হোটেলও বুক করে নিন। এভাবেও কিন্তু হোটেলের খরচ কমাতে পারেন।

অনলাইনে হোটেল বুকিংয়ের সময় রিভিউ পড়ে নেন ভাল করে। একইভাবে, সেখানে কোনও ডিসকাউন্ট কুপন আছে কিনা, সেটাও দেখে নিন। বছরের বিভিন্ন সময় ট্রাভেল ও ট্যুরিজম অ্যাপ ও সাইটে বিশেষ দিন উপলক্ষ্যে ছাড় দেয়। সেই সময় হোটেল বুক করলে খরচ কমতে পারে।