
হিন্দু ধর্মে শঙ্খকে অত্যন্ত পবিত্র ও মঙ্গলের প্রতীক হিসেবে ধরা হয়। মনে করা হয়, শঙ্খ হল দেবী লক্ষ্মীর ভাই এবং এটি বাড়িতে থাকলে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে। যে কোনও শুভ কাজ শুরু করার আগে শঙ্খ বাজানোর প্রথা প্রাচীন কাল থেকেই চলে আসছে। Getty Images

শঙ্খ বাজানোর সবচেয়ে ভালো সময় হল সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্ত। সকালে শঙ্খ বাজালে দিনটি ভালো যায় এবং মনে ইতিবাচক ভাব তৈরি হয়। সূর্যাস্তের সময় শঙ্খধ্বনি করলে ঘরের অশুভ শক্তি দূর হয়ে শান্তি ফিরে আসে। Getty Images

বিশেষ করে সন্ধ্যারতির সময় শঙ্খ বাজানোর গুরুত্ব সবচেয়ে বেশি। এই সময়ে প্রকৃতির শক্তিতে রদবদল ঘটে, তাই শঙ্খের আওয়াজ পরিবেশকে পবিত্র করে তোলে। পুজো বা আরতির শুরুতে শঙ্খনাদ করলে মনঃসংযোগ বৃদ্ধি পায়। Getty Images

শঙ্খ বাজানোর একটি বড় গুণ হল এটি আমাদের ফুসফুসকে শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। নিয়মিত সঠিক উপায়ে শঙ্খ বাজালে শ্বাসযন্ত্রের ক্ষমতা বাড়ে এবং হার্ট ভালো থাকে। এছাড়া শঙ্খের শব্দে আশেপাশের জীবাণুও নষ্ট হয়ে যায় বলে মনে করা হয়। Getty Images

শাস্ত্র অনুযায়ী গভীর রাতে শঙ্খ বাজানো একদমই উচিত নয়। মনে করা হয়, অসময়ে শঙ্খ বাজালে ঘরের শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। তাই সূর্য ডোবার পর আরতি শেষ হয়ে গেলে আর শঙ্খ বাজানো নিয়ম নয়। Getty Images

শঙ্খ ছোঁয়ার আগে হাত-পা ধুয়ে পরিষ্কার হওয়া বা স্নান করা একান্ত প্রয়োজন। অশুদ্ধ অবস্থায় বা নোংরা হাতে এই পবিত্র জিনিস স্পর্শ করা ঠিক নয়। শঙ্খ সবসময় একটি পরিষ্কার কাপড়ের ওপর বা সিংহাসনে সাজিয়ে রাখা উচিত। Getty Images

অনেকেই একটি ভুল করেন, যে শঙ্খ দিয়ে পুজো করা হয় সেটিই বাজান। নিয়ম অনুযায়ী, যে শঙ্খ দিয়ে দেবতাকে জল দেওয়া হয় সেটি কখনওই বাজানো উচিত নয়। বাজানোর জন্য এবং পুজোর জন্য আলাদা আলাদা শঙ্খ রাখা হল সঠিক পদ্ধতি। Getty Images

বাড়িতে কখনওই ফাটা বা ভাঙা এমন শঙ্খ রাখা উচিত নয়। ভাঙা শঙ্খ বাজানো অমঙ্গলের লক্ষণ বলে ধরা হয়। যদি শঙ্খ কোথাও থেকে ফেটে যায়, তবে সেটি বদলে নতুন শঙ্খ নিয়ে আসা প্রয়োজন। Getty Images