
এপ্রিলের মাঝামাঝি থেকেই বাড়ছে দহন জ্বালা। আবহাওয়া দপ্তরের মতে,"গরমের সব রেকর্ড ভেঙে চুরমার হতে পারে।" বিশ্বব্যাংকের সাম্প্রতিক রিপোর্ট তাপপ্রবাহ নিয়ে এক সাংঘাতিক তথ্য সামনে এসেছে, যা মানুষের আগামী দিনে বেঁচে থাকার লড়াইকে আরও অনেক বেশি কঠিন করে তুলবে।(AI)

২০৫০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে তাপপ্রবাহের তীব্রতা ভয়ঙ্কর রূপ ধারণ করছে। এই দুর্যোগের প্রভাব সবথেকে বেশি পর্বে দরিদ্র মানুষের ওপর। বিশেষ করে এশিয়া ও দক্ষিণ আফ্রিকার দেশগুলি চরম ক্ষতিগ্রস্ত হবে।(AI)

নতুন হ্যান্ডবুক অনুযায়ী,তাপমাত্রার দ্রুত বৃদ্ধি আধুনিক শহরগুলির জন্য সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ। আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের দাবি, দক্ষিণাঞ্চলের সবথেকে বেশি ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়। উষ্ণ ও শুষ্ক অঞ্চলের নিম্ন ও মধ্য আয়ের দেশগুলোর মানুষের জীবন এর ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।(AI)

গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ২০৫০ সালের মধ্যে চরম তাপপ্রবাহের কবলে পড়া দরিদ্র মানুষের সংখ্যা ৭০০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে, যা রীতিমতো উদ্বেগের।(AI)

বিশ্বব্যাঙ্ক এই চরম তাপপ্রবাহকে 'নীরব ঘাতক' বলে অভিহিত করেছে। এটি মানুষের শারীরিক স্বাস্থ্যকে ক্ষতির মুখে ফেলবে। এছাড়া এই জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে বৈশ্বিক জিডিপি ১.৪ % থেকে ১.৮ % পর্যন্ত হ্রাস পাবে।(AI)

তাপ থেকে বাঁচতে বিশ্বব্যাংক 'শীতল ছাদ' তৈরির পরামর্শ দিয়েছে। বাড়ির ছাদে সাদা রং করলে ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি তাপ কমানো সম্ভব।(AI)

শহরগুলিতে অত্যধিক কংক্রিটের দালান ও গাছপালার অভাবে তাপমাত্রা গ্রামের তুলনায় ৩-৪ ডিগ্রি বেশি থাকে। গাছ না থাকা ও খনিজের যথেচ্ছ ব্যবহারের ফলে শহরগুলো ধীরে ধীরে একটি জ্বলন্ত অগ্নিকুন্ডে পরিণত হচ্ছে।(AI)

বাড়ির চারপাশে গাছ লাগানো ও ছোট বন তৈরী করা খুব জরুরি। এটি প্রাকৃতিক ছায়া ও শীতলতা বজায় রাখে। এছাড়া বাড়িরই ভিতর পর্যাপ্ত বায়ু চলাচল ও কংক্রিটের বদলে আধুনিক নির্মাণ সামগ্রী ব্যবহার করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।(AI)