
তেলে দেওয়ার আগে মাছের গা খুব ভালো করে মুছে নিন। জলের কণা গরম তেলের সংস্পর্শে এলে তা ফুটন্ত অবস্থায় চারদিকে ছিটকে যায়। তাই মাছ ধোয়ার পর জল ঝরিয়ে শুকনো কাপড় বা টিস্যু দিয়ে মুছে নেওয়া সবথেকে জরুরি কাজ। Free pik

কড়াইয়ে তেল গরম হল কি না দেখে তাতে সামান্য নুন ছিটিয়ে দিন। নুন আর্দ্রতা শুষে নেওয়ার ক্ষমতা রাখে, যা তেলের ছিটকে যাওয়ার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। এর ফলে মাছ দেওয়ার পর তেল ছিটকে আসার ভয় অনেকটাই কমে যাবে। Free pik

ভাজাভুজির জন্য ফ্ল্যাট ফ্রাইং প্যান ব্যবহার না করাই ভালো। তার পরিবর্তে একটু গভীর বা উঁচু কানাওয়ালা কড়াই ব্যবহার করুন। উঁচু দেওয়াল থাকায় তেলের ছিটে বাইরের পরিবর্তে কড়াইয়ের ভেতরেই থাকে। Free pik

খুব চড়া আঁচে মাছ ভাজতে গেলেই বিপত্তি সবথেকে বেশি হয়। তেল গরম হয়ে ধোঁয়া বেরোতে শুরু করলে গ্যাসের আঁচ কিছুটা কমিয়ে দিন। মাঝারি আঁচে মাছ ভাজলে তা যেমন সুস্বাদু হয়, তেমনই তেল ছিটকানোর ঝুঁকিও কমে। Free pik

মাছ ভাজার জন্য তেলের পরিমাণের দিকে খেয়াল রাখুন। বেশি তেলের ছিটে বেশি দূর পর্যন্ত ছিটকে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে। সরষের তেল ব্যবহার করলে তাতে সামান্য ধোঁয়া উঠতে দিয়ে তার উগ্রতা কমিয়ে নেওয়া হল রান্নার বুদ্ধিমানের কাজ। Free pik

কড়াইয়ের ঠিক মাঝখানে মাছ না ছেড়ে কড়াইয়ের ধার ঘেঁষে আলতো করে মাছ ছাড়ুন। একসঙ্গে অনেকগুলো মাছ কড়াইয়ে গাদাগাদি করে না দেওয়া ভালো। ধীরে ধীরে একটি একটি করে মাছ ছাড়লে তেলের ভারসাম্য বজায় থাকে। Free pik

ঝুঁকি এড়াতে মাছ তেলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই একটি ঢাকা ব্যবহার করুন। মাছ উল্টানোর সময় গ্যাসের আঁচ একেবারে কমিয়ে দিয়ে তারপর ঢাকা সরান। এই পদ্ধতিটি আপনার ত্বক এবং আপনার রান্নাঘর—উভয়কেই তেলের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখবে। Free pik

সতর্কতা আর সঠিক কৌশলেই রান্নার কাজ হয়ে উঠতে পারে অনেক বেশি সহজ ও আনন্দদায়ক। Free pik