Almond Nutrition: আমন্ড বাদামের খোসা কি খাওয়া উচিত?

Health Tips: আমন্ডের খোসা ছাড়িয়ে খাবেন নাকি খোসা সমেত, এই নিয়ে প্রায় প্রত্যেক বাড়িতেই দ্বন্দ্ব লেগে থাকে। অনেকেই মনে করেন খোসা সমেত বাদাম খেলে পেটের গোলমাল হতে পারে বা পুষ্টির ঘাটতি হয়। পুষ্টিগুণ বজায় রাখতে কোন পদ্ধতিটি একেবারে সঠিক এবং দিনে ঠিক কটি বাদাম খাওয়া উচিত, কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

Oct 07, 2026 | 3:29 PM

1 / 8
আমন্ড খাওয়ার সময় প্রায়শই একটি প্রশ্ন মাথায় আসে, তা হল এর খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত নাকি খোসা সমেত। অনেকেই নিয়ম করে খোসা ছাড়িয়ে খান, আবার অনেকে সময়ের অভাবে খোসা সমেতই খেয়ে নেন। এই বাদামি খোসার মধ্যে লুকিয়ে থাকা পুষ্টিগুণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানাবিধ বিভ্রান্তি রয়েছে। Unspalsh

আমন্ড খাওয়ার সময় প্রায়শই একটি প্রশ্ন মাথায় আসে, তা হল এর খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া উচিত নাকি খোসা সমেত। অনেকেই নিয়ম করে খোসা ছাড়িয়ে খান, আবার অনেকে সময়ের অভাবে খোসা সমেতই খেয়ে নেন। এই বাদামি খোসার মধ্যে লুকিয়ে থাকা পুষ্টিগুণ নিয়ে সাধারণ মানুষের মনে নানাবিধ বিভ্রান্তি রয়েছে। Unspalsh

2 / 8

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, আমন্ডের খোসা ছাড়িয়ে খাওয়া একেবারেই বাধ্যতামূলক কোনও নিয়ম নয়। এই খোসা শরীরের জন্য ক্ষতিকারক নয়, বরং এর নিজস্ব বেশ কিছু উপকারিতা রয়েছে। ব্যক্তিগত পছন্দ এবং হজমশক্তির ওপর ভিত্তি করে খোসা সমেত বা খোসা ছাড়িয়ে খাওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে। Unspalsh

3 / 8

আমন্ডের বাদামি খোসায় প্রচুর পরিমাণে ডায়েটারি ফাইবার থাকে, যা হজম প্রক্রিয়ায় সাহায্য করে। ফাইবার পেট পরিষ্কার রাখতে এবং দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। ফলে যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণের ডায়েট করছেন, তাঁদের জন্য খোসা সমেত আমন্ড খাওয়া বেশ উপকারী হতে পারে। Unspalsh

4 / 8

ফাইবারের পাশাপাশি আমন্ডের খোসায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট এবং উদ্ভিজ্জ পুষ্টি ভরপুর মাত্রায় থাকে। এই উপাদানগুলো শরীরকে বিভিন্ন ধরনের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। খোসা সমেত আমন্ড খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। Unspalsh

5 / 8

তবে আমন্ডের খোসায় ট্যানিন নামক একটি উপাদান থাকে, যা অনেক সময় পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়। ট্যানিনের উপস্থিতির কারণে শরীর বাদামের সম্পূর্ণ প্রোটিন এবং ভিটামিন ঠিকমতো গ্রহণ করতে পারে না। এই কারণেই বহু যুগ ধরে আমন্ডের খোসা ছাড়িয়ে খাওয়ার প্রচলন চলে আসছে। আবার অনেক সময় আমন্ডের খোসা কিডনি ফিল্টার করতে পারেননা। তাই অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা এড়িয়ে চলতে বলেন। Unspalsh

6 / 8

ট্যানিনের এই সমস্যা দূর করার সবচেয়ে সহজ উপায় হল আমন্ড সারারাত জলে ভিজিয়ে রাখা। জলে ভেজানোর ফলে বাদাম নরম হয় এবং ট্যানিনের প্রভাব অনেকটাই কমে যায়। তখন খোসা সমেত আমন্ড খেলেও শরীরে পুষ্টির ঘাটতি হয় না এবং হজম করতেও সুবিধা হয়। Unspalsh

7 / 8

যাঁদের হজমশক্তি দুর্বল বা পেটের সমস্যা রয়েছে, তাঁদের জন্য খোসা ছাড়িয়ে খাওয়াই বেশি ভালো। নরম খোসাবিহীন আমন্ড পেট সহজে হজম করতে পারে এবং কোনও রকম অস্বস্তি তৈরি হয় না। তবে সুস্থ এবং স্বাভাবিক হজমশক্তি সম্পন্ন মানুষ নিশ্চিন্তে খোসা সমেত আমন্ড খেতে পারেন। Unspalsh

8 / 8

সবশেষে বলা যায়, আমন্ডের খোসা খাওয়া বা না খাওয়া সম্পূর্ণভাবে নিজের শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে। তবে খোসা সমেত বা ছাড়িয়ে যেমন ভাবেই খান না কেন, দিনে ৫ থেকে ১০টি আমন্ড খাওয়াই আদর্শ। অতিরিক্ত খেলে উপকারের বদলে শরীরের ক্ষতি হতে পারে, তাই পরিমিত খাওয়া অত্যন্ত জরুরি। প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। Unspalsh

Loading...
Unable to load recommendations.
Follow Us