
যাঁরা বাইক চালাতে ভালবাসেন তাঁরা চান এমন কিছু জায়গায় বাইক নিয়ে ঘুরতে যেতে, যেখানে প্রাকৃতিক দৃশ্য দেখে ভাল হয়ে যাবে মন।

হিমালয়ের কোলে, পাহাড়ের আঁকাবাঁকা রাস্তা দিয়ে বাইক চালিয়ে চোখে আর মনে যে আরাম পাওয়া যায় তা শুধুমাত্র যাঁরা ওই রাস্তায় গিয়েছেন, তাঁরাই জানেন।

পাহাড়ি রাস্তায় বাইক চালানো অবশ্যই ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু পাহাড় তার বিনিময়ে যে দৃশ্য চাক্ষুষ করাবে আপনাকে, তা কোনও ভাষায় বর্ণনা করা যায় না।

ভারতের এমন ৫টা রাস্তা রয়েছে, যেখান দিয়ে বাইকে করে যাওয়ার সময় যা দেখা যায় তা স্বর্গের দৃশ্যকেও হার মানিয়ে দেবে।

সবচেয়ে বেশি যে রাস্তার কথা বাইক রাইডাররা বলেন, তা হল সিমলা থেকে কিন্নাউর ভ্যালি হয়ে কাজা যাওয়ার রাস্তা। ৪২১ কিলোমিটারের এই রাস্তা পার হতে সাধারণত ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা সময় লেগে যায়।

এর পরই আসে লে থেকে মানালি যাওয়ার রাস্তা। ৪৭০ কিলোমিটারের এই রাস্তা নৈসর্গিক দৃশ্যে পূর্ণ। আর তা চলে গিয়েছে বিভিন্ন পাহাড়ি পাস ও বাঁকের মধ্যে দিয়ে।

জুলুক লুপকে অনেক সময় জিগজ্যাক রাস্তাও বলে। সিকিমের পুরনো সিল্ক রুটের এই রাস্তায় ৩২টি তীক্ষ্ণ হেয়ার পিন বাঁক রয়েছে। আর তার সঙ্গে রয়েছে মনোরম পাহাড়ি দৃশ্য। যা এই রাস্তাকে বানিয়েছে 'ভয়ঙ্কর সুন্দর'।

পশ্চিমঘাট পর্বতমালার উপর দিয়ে যাওয়া এই যাত্রাপথের শুরু হয় মুম্বইয়ে। সেখান থেকে মহাবালেশ্বর হয়ে গোয়ায় গিয়ে শেষ হয় এই রাস্তা। আর ফেরার সময় গোকর্ণ হয়ে ফিরলে সমুদ্রের ধারের বিভিন্ন শহর চোখে পড়ে।

জাতীয় সড়ক ২৭৫ ধরে বন্দিপুর জাতীয় উদ্যান হয়ে যে রাস্তা চলে গিয়েছে, এই সৌন্দর্য্য বর্ণনা করা মুখের ভাষায় প্রায় অসম্ভব। এই রাস্তাও রয়েছে বাইকারদের তালিকায়। ২১৭ কিলোমিটার এই রাস্তা দিয়ে যেতে সময় লাগে প্রায় ৪ ঘণ্টা।

সুতরাং, একদিন বেরিয়ে পড়াই যায় বাইক নিয়ে। তারপর মন ভাল রাখতে চলে যাওয়া যায় এই ৫ রাস্তার কোনও একটা রাস্তায়।