
চরিত্রের প্রয়োজনে অভিনেতাদের কত কিছুই না করতে হয়! কখনও ওজন ঝরানো তো কখনও আবার চরম ডায়েট মেনে চলা। তেমনই এক ভয়ানক অভিজ্ঞতার কথা প্রকাশ্যে আনলেন দক্ষিণী সুপারস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডা। Facebook
এমনিতে ফিটনেস নিয়ে তিনি বরাবরই খুব সচেতন। রোজ নিয়ম করে চার থেকে ছয় লিটার জল খাওয়া তাঁর দীর্ঘদিনের অভ্যাস। কিন্তু সেই অভ্যাসে হঠাৎই বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ‘লিগার’ ছবির শুটিং। Facebook
এই ছবিতে এক এমএমএ যোদ্ধার ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন তিনি। সেই পেশিবহুল ও ছিপছিপে চেহারা ফুটিয়ে তুলতেই শুরু হল কঠোর শারীরিক প্রস্তুতি। জল খাওয়ার পরিমাণ এক ধাক্কায় কমিয়ে মাত্র ১০০ মিলিলিটারে নামিয়ে আনেন অভিনেতা। Facebook
পেশিবহুল শরীর পর্দায় তুলে ধরতে শুটিংয়ের আগে টানা দশ ঘণ্টা জল না খেয়ে থাকতেন তিনি। পরিস্থিতি এমন জায়গায় পৌঁছত যে, তেষ্টা মেটাতে শেষ পর্যন্ত বরফের টুকরো চিবিয়ে খেতে হত তাঁকে। এই পদ্ধতি একেবারেই স্বাস্থ্যকর ছিল না বলে জানিয়েছেন অভিনেতা নিজেই। Facebook
শুটিং চলাকালীন তাঁর মাথায় শুধু ঘুরত কখন কাজ শেষ হবে। চার ঘণ্টার শুটিং শেষে খাবার নয়, শুধু জলের জন্যই মরিয়া হয়ে উঠতেন বিজয়। আড়াই ঘণ্টা পার হলেই টিমকে দ্রুত কাজ গুটিয়ে নেওয়ার তাগিদ দিতেন অভিনেতা। Facebook
পরিস্থিতি সামাল দিতে সেটে আগে থেকেই তৈরি থাকত বিজয়ের টিম। শুটিং শেষ হওয়া মাত্রই তাঁর জন্য মজুত রাখা হত চার লিটার নারকেলের জল। সেই জল খেয়েই নিজের তৃষ্ণা মেটাতেন রশ্মিকা মন্দানার স্বামী। Facebook
হিন্দি ছবির দুনিয়ায় ‘লিগার’ দিয়েই প্রথম পা রেখেছিলেন বিজয়। তাই এই চরিত্রের জন্য নিজের সেরাটুকু উজাড় করে দিতে কোনও খামতি রাখেননি তিনি। তাঁর এই চরম অধ্যবসায় আরও একবার প্রমাণ করে দিল যে অভিনয়ের প্রতি তিনি ঠিক কতটা নিখুঁত। Facebook
আপাতত রশ্মিকার সঙ্গে আগামী কাজ নিয়ে জোর চর্চায় মেতে রয়েছেন অনুরাগীরা। তবে পুরনো এই ভয়াবহ স্মৃতি আজও ভুলতে পারেননি অভিনেতা। এক জন অভিনেতার চরিত্রের প্রতি এমন আত্মত্যাগ সত্যিই দর্শকদের অবাক করে। Facebook