
ইনস্টাগ্রাম রিলসে এখন চারদিকে শুধু লবঙ্গ জলের জয়জয়কার। কেউ একে বলছেন 'গ্লো-আপ মিস্ট', আবার কেউ বলছেন ব্রণের অব্যর্থ দাওয়াই। ঘরোয়া উপায়ে তৈরি এই মিস্ট নিয়ে মাতোয়ারা নেটিজেনরা। Free Pik

দাবি করা হচ্ছে, এই জল নিয়মিত মুখে স্প্রে করলে ব্রণ কমে এবং পোরস সংকুচিত হয়। এমনকি ত্বকের কালচে ছোপ দূর করে জেল্লা ফেরাতেও নাকি এর জুড়ি নেই। তবে এই দাবির পেছনে যুক্তি কতটা? Free Pik

লবঙ্গের প্রধান সক্রিয় উপাদান হল ‘ইউজেনল’ (Eugenol)। এতে রয়েছে অ্যান্টি-মাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি গুণ। যা সাধারণত দাঁতের ব্যথা বা শরীরের প্রদাহ কমাতে বহু বছর ধরে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। Free Pik

লবঙ্গ জলের কার্যকারিতা নিয়ে সরাসরি কোনও বড়সড় ক্লিনিক্যাল স্টাডি নেই। গবেষণাগারে ইউজেনলের কার্যকারিতা প্রমাণিত হলেও, তা সরাসরি মুখে মাখা কতটা নিরাপদ, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে বিশেষজ্ঞদের। Free Pik

যাঁদের ত্বক তৈলাক্ত, তাঁদের ক্ষেত্রে এটি কিছুটা উপকারে আসতে পারে। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণ ব্রণের জীবাণু মারতে সাহায্য করতে পারে। তবে হরমোনজনিত ব্রণের ক্ষেত্রে এটি একেবারেই কাজ করবে না। Free Pik

লবঙ্গ জল সরাসরি ত্বকে ব্যবহার করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। ইউজেনল অত্যন্ত শক্তিশালী উপাদান হওয়ায় এটি থেকে ত্বকে জ্বালাপোড়া, র্যাশ বা রেডনেস দেখা দেওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। Free Pik

না লাগানোই ভালো। ব্যবহারের আগে অবশ্যই প্যাচ টেস্ট করে নিতে হবে। এছাড়া এটি ব্যবহারের পর রোদে বেরোলে ত্বকে পিগমেন্টেশনের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। Free Pik

লবঙ্গ জল একটি পরীক্ষামূলক ঘরোয়া টোটকা মাত্র, এটি কোনও চিকিৎসাগত সমাধান নয়। ত্বকের গুরুতর সমস্যায় সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড অন্ধভাবে অনুসরণ না করে চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ। Free Pik