
সনাতন ধর্মে প্রতিটি মাসেরই আলাদা গুরুত্ব রয়েছে। তবে হিন্দু পঞ্জিকা অনুযায়ী, প্রতি তিন বছর অন্তর এমন একটি মাস আসে, যা আধ্যাত্মিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভক্তরা একে পরম করুণাময় শ্রীবিষ্ণুর মাস হিসেবে পালন করেন। একে কখনও ‘পুরুষোত্তম মাস’, কখনও বা ‘অধিকমাস’ কিংবা কখনও ‘মলমাস’ বলা হয়ে থাকে। ২০২৬ সালে আগামী ১৭ মে থেকে এই পবিত্র মাসের সূচনা হতে চলেছে, যা চলবে ১৫ জুন পর্যন্ত।
কেন এই মাসটি এত বিশেষ?
জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, সূর্য ও চন্দ্রের গতির পার্থক্যের কারণে প্রতি তিন বছর অন্তর ক্যালেন্ডারে একটি অতিরিক্ত মাস যুক্ত হয়। প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী, এই মাসটির কোনও অধিপতি ছিল না বলে এটি অবহেলিত ছিল। পরে ভগবান শ্রীবিষ্ণু নিজেই এই মাসের দায়িত্ব নেন এবং নিজের নামানুসারে এর নামকরণ করেন ‘পুরুষোত্তম মাস’। এই মাসে পুজো, পাঠ, নামজপ ও দান-ধ্যান করলে অন্য মাসের তুলনায় অনেক বেশি পুণ্য লাভ হয় বলে মনে করা হয়।
সাবধান! এই কাজগুলো ভুলেও করবেন না
সৌভাগ্য ফেরাতে কী করবেন?
বেশ কিছু নিষেধাজ্ঞা থাকলেও এই মাসটি কিন্তু হাত গুটিয়ে বসে থাকার জন্য নয়। শ্রীমদ্ভাগবত গীতা পাঠ, বিষ্ণু সহস্রনাম জপ এবং ব্রাহ্মণ বা অভাবী মানুষকে অন্ন ও বস্ত্র দান করলে জীবনের বড় বাধা কেটে যায়। ১৬ জুন থেকে আবার স্বাভাবিক শুভ সময় ফিরে আসবে। তাই এই সময়টুকু সংযম আর ভক্তির সঙ্গেই অতিবাহিত করা শ্রেয় বলে জানাচ্ছেন শাস্ত্রবিদরা।