
শ্রাবণ মাসের শিবের পুজোর বিশেষ গুরুত্ব যেমন রয়েছে, তেমনি মহাশিবরাত্রির দিন শিবের আরাধনা করারও আলাদা রীতি রয়েছে। ক্যালেন্ডার মতে, আগামী ৮ মার্চ সারাদেশে মহাআড়ম্বরের সঙ্গে মহাশিবরাত্রি পালিত হবে। ধর্মীয় গ্রন্থ অনুসারে, মহাশিবরাত্রির দিনে ভোলেবাবা ও দেবী পার্বতীর শুভবিবাহ অনুষ্ঠিত হয়েছিল। শুধু তাই নয়, কথিত আছে, এই বিশেষ দিনেেই শঙ্করনাথ শিবলিঙ্গ রূপে মর্ত্যে অবতীর্ণ হয়েছিলেন। তাই এই বিশেষ দিনটিতে মহাদেবের আশীর্বাদ পেতে মহাশিবরাত্রির দিন উপবাস রেখে, নিষ্ঠাভরে শিবের পুজো করেন ভক্তরা। শুধু পুজো করলেই নয়, মহাশিবরাত্রির দিন বেশ কিছু নিয়মও মেনে চলা হয়। তাতে জীবনে নানা অলৌকিক ঘটনাও ঘটতে পারে। পঞ্চাঙ্গ অনুসারে, ফাল্গুন মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথিতে পড়ে মহাশিবরাত্রিতে কী কী জিনিস দান করা উচিত, তা আগেভাগে জেনে নেওয়া উচিত।
কথিত আছে, অল্পতেই সন্তুষ্ট ভোলেবাবা। তাই বিশেষ কিছু না, খুব সাধারণ কিছু জিনিস পুজোর সময় নিবেদন করলে মনের ইচ্ছা পূরণ হয়। তাই মহাশিবরাত্রির দিন এই ৪টি জিনিস দান করতেই হবে…
ঘি : মহাশিবরাত্রির দিনে ঘি নিবেদন করলেই নয়, শিবলিঙ্গের গায়ে ঘি লেপে দিলে মহাদেব অত্যন্ত খুশি হোন। এছাড়া এদিনে ঘি দান করলে অনেক সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। বাড়িতে যদি কোনও ধরণের সমস্যা বা নেতিবাচক শক্তির প্রভাব পড়ে, তাহলে তা দূর হয়ে যাবে অনায়াসেই।
দুধ : মহাশিবরাত্রির দিনে দুধ দিয়ে শিবের অভিষেক করা খুবই শুভ বলে মনে করা হয়। মহাশিবরাত্রির দিনে দুধ দান করলে কুণ্ডলীতে দুর্বল চন্দ্র শক্তিশালী হয়ে ওঠে। মানসিক শান্তিও বিরাজ করে।
কালো তিল: মহাশিবরাত্রির দিন অবশ্যই কালো তিল দান করা উচিত। কালো তিল দান করলে পিতৃপুরুষরা প্রসন্ন হয়ে আশীর্বাদ প্রদান করেন। আবার জন্মকুণ্ডলীর পিতৃদোষও দূর হয়। এদিনে কালো তিল দান করলে বিভিন্ন কাজগুলি সম্পূর্ণ হতে শুরু করে।
বস্ত্র দান: মহাশিবরাত্রির দিন কোনও দুঃস্থদেরকে বস্ত্র দান করলে জীবনের আর্থিক সংকট দূর হয়। ঘরে যেমন আর্থিক উন্নতি হয়, তেমনি শিবের আশীর্বাদও পাওয়া যায়। সংসারে কখনও কোনও কিছুর অভাব বোধ হয় না।