Sleeping Astrology: ঘুম ভাল তো সব ভাল! শাস্ত্র মতে, গভীর ঘুমের মূলমন্ত্র জানুন
World Sleep Day: হিন্দু শাস্ত্রে স্বাস্থ্যকর ও গভীর ঘুমের সঠিক নিয়মের কথা উল্লেখ রয়েছে। বিভিন্ন পুজোপাঠ ও রীতিনীতির কথা বর্ণনা থাকলেও একজন মানুষের স্বাস্থ্য ও মানসিক দিকগুলি ব্যাপারেও কথা বলে হয়েছে। বিশ্ব ঘুম দিবস উপলক্ষ্যে হিন্দু শাস্ত্রে ঘুমের সঠিক নিয়মগুলি জেনে নিলে আখেরে লাভবান হতে পারেন আপনি।

রাতে ভাল ঘুম হলে সারাদিন দেখবেন শরীর ও মন বেশ ফুরফুরে থাকে। যে কোনও কাজেই আসে অন্য মাত্রায় উন্মাদনা, মানসিক ভাবে শান্ত থাকলে যে সাফল্য আসে প্রতিটি পদে পদে। ঘুম হল একজন মানুষের স্বাভাবিক ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। স্বাস্থ্য ও বৈজ্ঞানিক দিক থেকে যেমন ঘুমের গুরুত্বের দিক রয়েছে, তেমনি ধর্ম ও শাস্ত্রেও রয়েছে ঘুমের অপরিহার্য গুরুত্ব। হিন্দু শাস্ত্রে স্বাস্থ্যকর ও গভীর ঘুমের সঠিক নিয়মের কথা উল্লেখ রয়েছে। বিভিন্ন পুজোপাঠ ও রীতিনীতির কথা বর্ণনা থাকলেও একজন মানুষের স্বাস্থ্য ও মানসিক দিকগুলি ব্যাপারেও কথা বলে হয়েছে। বিশ্ব ঘুম দিবস উপলক্ষ্যে হিন্দু শাস্ত্রে ঘুমের সঠিক নিয়মগুলি জেনে নিলে আখেরে লাভবান হতে পারেন আপনি।
স্বাস্থ্যগত দিক থেকে ঘুম হল একটি অপরিহার্য একটি শারীরিক প্রক্রিয়া। ভাল ঘুম হলে ভাল স্বাস্থ্য ও মানসিক দিক প্রকাশ পায়। প্রতি বছর মার্চ মাসের তৃতীয় শুক্রবার বিশ্ব ঘুম দিবস পালিত হয়। আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব ঘুম দিবস। হিন্দু শাস্ত্রে ঘুম নিয়ে কী কী উল্লেখ রয়েছে, তা জেনে নিন এখানে…
ঘুমনোর সঠিক দিক
বাস্তুশাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, ঘুমনোর সময় পূর্ব বা দক্ষিণ দিকে পা রাখা উচিত নয়। সেই সঙ্গে উত্তর ও পশ্চিম দিকে মাথা রেখে ঘুমলে রোগে আক্রান্ত হতে পারে। এদিকে মাথা রাখলে আপনার আয়ুও কমে যেতে পারে। ঘুমনোর সময় মাথা পূর্ব বা দক্ষিণ দিকে রাখা উচিত। মনে রাখবেন যে ঘুমনোর সময় দরজার দিকে পা রাখা উচিত নয়। দরজার দিকে শুলে স্বাস্থ্যের উপর বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে।
বিছানা কেমন হওয়া উচিত
রাতে ঘুমনোর জন্য কেমন হওয়া উচিত আপনার সেরা জায়গা? নিজের সবচেয়ে পছন্দের জায়গা হল বিছানা। অনেকের নিজের বিছানা ছাড়া অন্য কোথাও ঘুম আসে না। তাই বিছানা হওয়া উচিত সঠিক ও পরিষ্কারষ শাস্ত্র মতে, একজন ব্যক্তির কখনওই ভাঙ্গা, খুব বড় বা খুব ছোট, খুব উঁচু বা নোংরা বিছানায় ঘুমনো উচিত নয়। সবসময় পরিষ্কার বিছানায় ঘুমনো উচিত।
ঘুমনোর সঠিক সময়
শাস্ত্রে উল্লেখ রয়েছে, সূর্যাস্তের পরপরই ও গোধূলির সময় কখনওই ঘুমনো উচিত নয়। পাশাপাশি রাতের প্রথম প্রান্তিকে ঘুমনো সর্বোত্তম বলে মনে করা হয়। একই সময়ে, ব্রহ্ম মুহুর্তকে ঘুম থেকে ওঠার সেরা সময় বলে মনে করা হয়। দিনের বেলা ঘুমনোও একবারেই ঠিক নয়। এর ফলে অনেক ধরনের রোগ দেখা দিতে পারে।
