
সব মানুষের মধ্যেই রয়েছে ভাল ও মন্দের দিক রয়েছে। বাজে ও ভাল অভ্যেস নিয়েই সারা জীবন কাটিয়ে দেন একজন। একজন ব্যক্তির মধ্যে যে বাজে অভ্যেস বিদ্যমান বা প্রতিনিয়ত সেই অভ্যেসের মধ্যে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য, তিনি আদৌও জানেন না। কিন্তু এমন কিছু কাজ আছে যেগুলির কারণে আপনি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন। এতে আয়ুও কমে যেতে পারে। এমন কথা আমরা বলছি না, গরুড় পুরাণেও রয়েছে। গরুড় পুরাণে শুধু মৃত্যু সংক্রান্ত বিষয়েই তথ্য উল্লেখ রয়েছে, তা নয়, জীবন নিয়েও রয়েছে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই তথ্য মেনে যদি জীবনে চলতে শুরু করে, তাহলে জীবনে আসবে সুখ ও সমৃদ্ধি। এছাড়াও গরুড় পুরাণে এমন কিছু কাজের কথা বলা হয়েছে, যা করলে ক্ষতিও হতে পারে। তাতে আয়ুও কমে যায়। দৈনন্দিন জীবনে যে যে বাজে কাজ বা অভ্যেসগুলি একেবারেই করবেন না, তা জেনে নিন এখানে…
১. গরুড় পুরাণ অনুসারে, সূর্যোদয়ের পরে ঘুম থেকে উঠলে জীবনে নেতিবাচকতা আসে। ব্রহ্ম মুহুর্তে জাগরণ শুভ বলে মনে করা হয়। আসলে, মনে করা হয়, এই সময়ে বাতাস বিশুদ্ধ ও সতেজ থাকে, তা স্বাস্থ্যের জন্য ভাল বলে মনে করা হয়। দেরিতে ঘুম থেকে উঠলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়। তার জেরে শরীর সহজেই রোগের ঝুঁকিতে পড়ে।
২- একই সময়ে, রাতে দই খাওয়া উচিত নয়। আসলে দই একটি শীতল খাবার, যার কারণে নানা ধরনের রোগ শরীরে প্রবেশ হতে পারে। তাই রাতে নয়, বিকেলে দই খান।
৩- এর পাশাপাশি শ্মশানের ধোঁয়া থেকেও দূরে থাকতে হবে। কারণ যখন কোনও শব দাহ করা হয়, তখন সেই মৃতদেহ থেকে নির্গত বিষাক্ত উপাদান বাতাসে দ্রবীভূত হয়, যার মধ্যে অনেক ধরনের বিষাক্ত ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস থাকে। এর জেরে স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।
৪- একইসঙ্গে, গরুড় পুরাণ অনুসারে, ব্রহ্ম মুহুর্তের সময় সঙ্গম বা মিলন হওয়ার অনুভূতিকে মন থেকে দূরে রাখা উচিত। এই সময়ে ঈশ্বরের ভক্তিতে মনকে নিয়োজিত করা উচিত। এই টিপস না মানলে জীবনের আয়ু আস্তে আস্তে কমতে পারে।