Hindu deities worship: কোন সমস্যায়, কোন দেবতাকে পুজো করা উচিত? শাস্ত্র বলছে…
Hindu rituals: হিন্দুধর্ম ও জ্যোতিষশাস্ত্র (Hinduism and Astrology) মেনে চলেন যাঁরা, তাঁরা যে কোনও শুভ কাজ শুরু করার আগে ঈশ্বরের নাম স্মরণ করতে ভোলেন না। হিন্দুশাস্ত্র অনুযায়ী ভিন্ন ভিন্ন শুভ কাজের জন্য নির্দিষ্ট পৃথক দেব-দেবীর আরাধনা করলে দ্রুত সুফল ও ভাগ্য ফিরতে পারে। জেনে নিন কী বলছে শাস্ত্র?

হিন্দুধর্ম ও জ্যোতিষশাস্ত্র (Hinduism and Astrology) মেনে চলেন যাঁরা, তাঁরা যে কোনও শুভ কাজ শুরু করার আগে ঈশ্বরের নাম স্মরণ করতে ভোলেন না। সনাতন বিশ্বাস বলে, দেব-দেবীর আশীর্বাদ মাথায় নিয়ে কাজে হাত দিলে শুধু যে বাধা কাটে তা-ই নয়, সাফল্যের পথও মসৃণ হয়। তবে আপনি কি জানেন, সব কাজের জন্য এক দেবতাকে ডাকার নিয়ম নেই? শাস্ত্রের বিধান অনুযায়ী, ভিন্ন ভিন্ন কাজের জন্য নির্দিষ্ট কিছু দেব-দেবীর আরাধনা করলে সুফল মেলার সম্ভাবনা অনেক গুণ বেড়ে যায়। বিপদে রক্ষা পাওয়া থেকে শুরু করে দ্রুত রোগমুক্তি, ঠিক কোন সময়ে কোন ঠাকুরের শরণাপন্ন হবেন, তা পয়েন্ট আকারে জেনে নেওয়া যাক।
১. নতুন কাজে বিঘ্নহর্তা গণেশ বাঙালি সনাতনীদের ঘরে ঘরে একটা প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে যে, যে কোনও নতুন বা মাঙ্গলিক কাজের সূচনাতেই সবার আগে গণেশের বন্দনা করা আবশ্যক। সিদ্ধিদাতা গণেশ হলেন বিঘ্নহর্তা, অর্থাৎ সমস্ত বাধা-বিপত্তি দূর করার দেবতা। তাই নতুন কোনও ব্যবসা শুরু করা, গৃহপ্রবেশ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ কোনও চুক্তির আগে গণেশজির নাম স্মরণ করলে সেই কাজ কোনও রকম বাধা ছাড়াই সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়।
২. ঘোর সংকটে বজরংবলী জীবনে যখন কঠিন পরিস্থিতি নেমে আসে, চারদিক থেকে যখন বিপদের মেঘ ঘনিয়ে আসে, তখন শাস্ত্রমতে একমাত্র ভরসা হলেন বজরংবলী। হনুমানজির নাম জপ করলে মনের সমস্ত ভয় দূর হয় এবং প্রবল আত্মবিশ্বাস ও সাহসের সঞ্চার ঘটে। সমস্ত নেতিবাচক শক্তি দূর করে জীবনের লড়াইয়ে জয়ী হতে সাহায্য করেন তিনি।
৩. আর্থিক উন্নতিতে মা লক্ষ্মী আর্থিক সমৃদ্ধি বা ধনসম্পত্তি বৃদ্ধির আকাঙ্ক্ষা কার না থাকে! জ্যোতিষ বলছে, কোনও নতুন ক্ষেত্র থেকে টাকা পাওয়ার আগে কিংবা বড় কোনও আর্থিক লেনদেনের পূর্বে মা লক্ষ্মীর নাম স্মরণ করা অত্যন্ত জরুরি। ধনদেবী মা লক্ষ্মীর কৃপা বজায় থাকলে ঘরে অর্থ আগমনের পথ প্রশস্ত হয় এবং আর্থিক অনটন কেটে যায়।
৪. রোগমুক্তি ও মানসিক শান্তিতে মহাদেব সবশেষে আসে স্বাস্থ্যের কথা। শরীর সুস্থ থাকলে মনও ভালো থাকে। কঠিন অসুখবিসুখ কাটিয়ে উঠে দ্রুত আরোগ্য লাভের জন্য দেবাদিদেব মহাদেবকে স্মরণ করার নির্দেশ দিচ্ছে শাস্ত্র। ভোলেবাবার আশীর্বাদে শরীর যেমন রোগমুক্ত ও সবল থাকে, তেমনই বর্তমান যুগের মানসিক অবসাদ ও উদ্বেগ কাটিয়ে মনকে শান্ত করতেও সাহায্য করেন মহাদেব।
তাই শাস্ত্রের এই নিয়মগুলি মাথায় রেখে এগিয়ে চললে যে কোনও কাজেই মিলতে পারে কাঙ্ক্ষিত সাফল্য।
