
মারগাওঁ: আবার বিতর্কের কেন্দ্রে আইএসএল। ইনজুরি টাইমে গোল করে এফসি গোয়াকে ২-১ গোলে হারাল বেঙ্গালুরু। পরপর ২ ম্যাচে ইনজুরি টাইমে গোল করে জিতল বেঙ্গালুরু এফসি। কিন্তু, এই ম্যাচ নিয়ে চূড়ান্ত ক্ষুব্ধ এফসি গোয়ার ফুটবলার ও সমর্থকরা। কারণ, তাঁদের দাবি, অন্যায্যভাবে গোল করে জিতেছে বেঙ্গালুরু এফসি। এর সঙ্গে বেঙ্গালুরুকে জিতিয়েছে রেফারি।
কী ঘটেছে?
তখন ৯০+১ মিনিটের খেলা চলছে। ম্যাচের স্কোর ১-১। মোট ৪ মিনিটের অতিরিক্ত সময় দিয়েছেন রেফারি। বাকি আর ৩ মিনিট। এফসি গোয়া আক্রমণ করতে করতে বেঙ্গালুরুর বক্সে ঢুকে যায়। সেই সময় তাঁকে পিছন থেকে এসে চার্জ করে বেঙ্গালুরুর ফুটবলার। সঙ্গে সঙ্গে পড়ে যান গোয়ার ওই ফুটবলার। সেটিকে রেফারি ফাউল দেননি। এফসি গোয়ার ফুটবলাররা রেফারির সঙ্গে তর্ক করলে বাংলার রেফারি প্রতীক মণ্ডল হলুদ কার্ড দেখান। এরপরেই পাল্টা আক্রমণ থেকে গোল করে ম্যাচ জিতে যায় বেঙ্গালুরু এফসি। কিন্তু ঝামেলার কারণ এটা নয়।
যখন ফাউলের পর রেফারি বাঁশি বাজান, তখন বেঙ্গালুরুর ফুটবলার চিংলেনসানা সিং বল মাঠের বাইরে পাঠিয়ে দেন। ফুটবলের আইন অনুযায়ী, থ্রো-ইন পাওয়ার কথা এফসি গোয়ার। কিন্তু আশ্চর্যজনক ভাবে বেঙ্গালুরু এফসির ফুটবলারই থ্রো-ইন নিয়েছেন, সেখান থেকে অ্যাটাক করেছেন ও সেখান থেকেই গোল করে ম্যাচ জিতে গিয়েছে বেঙ্গালুরু এফসি। এই বিষয়টিকে সম্পূর্ণ ইগনোর করে গিয়েছেন রেফারি। ফুটবলের নিয়ম অনুযায়ী, এই গোল হয়ই না। এমনকি ম্যাচের পর ড্রেসিংরুমে ফেরার সময় রেফারিদের ক্রমাগত কটূক্তি, কটাক্ষ করতে থাকেন গোয়ার সমর্থকরা।
এরপরেই এই ঘটনা নিয়ে সমাজমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন সমর্থকরা। তাঁদের দাবি, এটা কি কোনও পাড়ার ক্লাবের টুর্নামেন্ট? মাঠে রেফারি আছেন, লাইন্সম্যান আছেন, কারও চোখে পড়ল না বেঙ্গালুরু অন্যায্যভাবে গোল করে ম্যাচ জিতে গেল? এই আক্রমণই তো অন্যায্য। কোন যুক্তিতে বেঙ্গালুরুর প্লেয়ার বল থ্রো-ইন করে আবার একই দলের প্লেয়ার থ্রো-ইন নিতে যায়?
অনেকে এই ম্যাচকে সার্কাসের সঙ্গেও তুলনা করছেন। কারও মতে, এই ম্যাচ সম্পূর্ণ সার্কাস। যেখানে কেরলের একটি টুর্নামেন্ট ভিএআর আয়োজন করতে পারে, কিন্তু ভারতের এক নম্বর ফুটবল প্রতিযোগিতা ভিএআর আয়োজন করতে পারে না। যেখানে নানা কারণে হাফ লিগ আয়োজন করতে হয়, সেখানে তো এসবই হবে, মন্তব্য নেটিজেনদের।