
কলকাতা : তাঁকে নিয়ে এতদিন চর্চা কম হয়নি। সোশ্যাল মিডিয়া থেকে চায়ের দোকান, সর্বত্র আলোচনা হয় কেন তাঁকে বয়ে বেড়াচ্ছে ভারতীয় দল ? কেন রিঙ্কু খেলছেন না ? আজ ফাইনালে অভিষেক প্রমাণ করলেন কেন তিনি বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটার। কেন ফ্লপ হলেও তাঁকে বসানোর ‘সাহস’ পায়না ম্যানেজমেন্ট।
শুরু থেকেই যেন ঝড় তুলেছিলেন অভিষেক। তৃতীয় ওভারেই জেকব ডাফিকে আক্রমণ করা শুরু করেছিলেন অভিষেক। পঞ্চম ওভারে ডাফির বিরুদ্ধে অভিষেক করলেন ২০ রান। গ্লেন ফিলিপ্স থেকে জেকব ডাফি, কেউই রেয়াত পাননি অভিষেকের রুদ্রমূর্তির সামনে। ১৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি করলেন অভিষেক। ভারতের হয়ে সবথেকে কম বল খেলা ক্রিকেটারদের মধ্যে অভিষেক এখন দ্বিতীয় স্থানে। প্রথমে রয়েছেন যুবরাজ সিংহ। তিনি করেছিলেন ১২ বলে হাফসেঞ্চুরি, ২০০৭ সালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে। আজ ম্যাচের আগেই তাঁকে মাঠে দেখতে এসেছিলেন তাঁর বাবা রাজকুমার শর্মা। বাবার পরামর্শ মাথায় রেখেই আজ মাঠে নেমেছিলেন অভিষেক। যে যে শটগুলিতে আগের ম্যাচগুলোতে আউট হয়েছিলেন, সেই শট খেলার দিকে যানইনি তিনি। পাওয়ার প্লেতেই আক্রমণ বানিয়েছেন বিপক্ষ বোলারদের। আজ করলেন ২১ বলে ৫২। শেষ ৭ ইনিংসে ৮৯ রান করেছিলেন অভিষেক। আজ তাঁর রানে ফেরা দরকার ছিল। ১৮ বলে অর্ধশতরান করে তিনি প্রমাণ করলেন, তাঁর অফ ফর্ম থাকলেও অভিষেক দরকারে যে কতটা কার্যকরী, প্রমাণ করলেন আজ।
আহমেদাবাদে ভারত দুরন্ত শুরু করলেও চাপে রয়েছে। ১৫ ওভারের শেষে ২০০ রান তুলে ফেলেছে ভারতীয় দল। একই ওভারে ৩ উইকেট তুলে ভারতকে চাপে ফেলে দিয়েছেন জিমি নিশাম। অভিষেকের আর এক সঙ্গী সঞ্জু আজকেও রান পেয়েছেন। ৮৯ রানে আউট হয়ে যান সঞ্জু। রানের পাহাড় তুললেও চিন্তায় থাকতে হবে ভারতকে। তার মধ্যেই ভারতের তামাম সমর্থককে স্বস্তি দিলেন অভিষেক।