
কলকাতা : টি- টোয়েন্টি বিশ্বকাপ শেষের পর কিছু ক্রিকেটার যেমন ক্রমতালিকায় উপরে উঠে এসেছেন, কেউ আবার নিচে নেমে গিয়েছেন। এই তালিকায় বিশাল লাফ দিয়েছেন সঞ্জু স্যামসন। ১৪ ধাপ এগিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি, উন্নতি ঘটেছে ঈশান কিষানেরও। কিন্তু, অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবের পদস্খলন ঘটেছে। বুধবার আইসিসির নতুন ক্রমতালিকা প্রকাশের পর ২২ নম্বরে রয়েছেন সঞ্জু। সুপার এইটের শেষ ম্যাচ, সেমি ফাইনাল ও ফাইনাল – তিন ম্যাচেই দাপুটে ইনিংস খেলেছেন সঞ্জু। ৩ ম্যাচেই শতরান হারালেও রানে ফিরেছেন সঞ্জু।
এছাড়া দুই ধাপ এগিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন ঈশান কিষান। ৯ ম্যাচে ৩১৭ রান করেছেন ঈশান। এসেছে তিনটি অর্ধশতরানও। কিন্তু চমকপ্রদ বিষয় হল, এই বিশ্বকাপে মাত্র ২ বার ৫০ বা তার বেশি রান করেছেন অভিষেক শর্মা। প্রথম তিন ম্যাচে ০ করা সত্ত্বেও ব্যাটারদের তালিকায় এক নম্বরে রয়েছেন অভিষেক।
পরপর ম্য়াচে ব্যর্থ হওয়ায় অনেকেই বলেছিলেন অভিষেককে দলে রাখা হবে না। কিন্তু দলে থেকেও তিনি ফাইনালের ম্যাচে দুরন্ত ইনিংস খেলেছেন। অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব প্রথম ম্যাচে ৮৪ রানের ইনিংস খেললেও তারপর থেকে টানা ব্যর্থ। দুই ধাপ পিছিয়ে নবম স্থানে রয়েছেন সূর্য। ব্যাটারদের ক্রমতালিকায় প্রথম ও দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিষান। তিনে, পাকিস্তানের শাহিবজাদা ফারহান। চারে, ইংল্যান্ডের ফিল সল্ট। পাঁচে, শ্রীলঙ্কার পাথুম নিশঙ্কা।
বিশ্বকাপে বাজে ফর্মের জন্য বোলারদের ক্রমতালিকা থেকে নেমে গেলেন বরুণ চক্রবর্তী। যশপ্রীত বুমরার সঙ্গে ১৪ উইকেট নিয়ে তিনি সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী হলেও প্রচুর রান দিয়েছেন। ৯ ম্যাচে ২৮৭ রান দিয়েছেন বরুণ। সেই কারণেই ১ নম্বর থেকে নেমে ২ নম্বরে এই নাইট তারকা। একে উঠে এসেছেন আফগানিস্তানের রশিদ খান। বরুনের পয়েন্ট ৭৪০। রশিদের ৭৫৩। ৭৩৬ পয়েন্ট নিয়ে তিন নম্বরে রয়েছেন পাকিস্তানের আব্রার আহমেদ। প্রথম দশে বরুণ ছাড়াও রয়েছেন বুমরা। ৭০২ পয়েন্ট নিয়ে একধাপ উঠে ষষ্ঠ স্থানে বুমরা।
বুমরাকে নিয়েই প্রত্যয়ী ভারত কোচ গম্ভীর ও অধিনায়ক সূর্য। তাঁদের মতে, বুমরার জন্যেই সেমিফাইনাল ও ফাইনাল ম্যাচে ফিরেছে ভারতীয় দল। ফাইনালে ১৫ রান দিয়ে ৪ উইকেট নিয়েছেন বুমরা। এর ফলে ১৪ উইকেট নিয়ে তিনিও সর্বোচ্চ উইকেটশিকারীর তালিকায় শীর্ষে। অলরাউন্ডার হিসেবে শীর্ষে রয়েছেন রবীন্দ্র জাদেজা। আগামী ২৮ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে আইপিএল। প্রথম ম্যাচে কলকাতার মুখোমুখি হতে চলেছেন সূর্য, বুমরারা। বহুদিন আইপিএল জেতেনি মুম্বই। ২০২৬ সালে সেই কাপ খরাই কাটাতে চাইছেন হার্দিক, বুমরারা।