
দুবাই: মিনি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ট্রাভিস হেড ভারতের মাথা ব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়ালেন না। ভারতীয় ক্রিকেট প্রেমীরা ভেবেছিলেন মেন ইন ব্লুকে সামনে পেয়ে বিস্ফোরণ ঘটাবেন হেড। তা হতে দেননি বরুণ চক্রবর্তী। সঙ্গে ছিলেন মহম্মদ সামি, রবীন্দ্র জাডেজারা। সব মিলিয়ে সেমিফাইনালে প্রথমে ব্যাটিং করে ২৬৪ রানে অল আউট অস্ট্রেলিয়া। অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেছেন স্টিভ স্মিথ। ৭৩, এটাই অস্ট্রেলিয়ার হয়ে সর্বাধিক রান। দ্বিতীয় সর্বাধিক রান অ্যালেক্স ক্যারির (৬১)। হেড করেন ৩৯ রান। আর বলতে হয় বিশেষ করে মহম্মদ সামির কথা। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) সেমিফাইনালে সুপার্ব সামি। এ কথা না বললেই নয়। কারণ অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে মিনি বিশ্বকাপের শেষ চারের ম্যাচে ৩টি উইকেট নিয়েছেন সামি। আর ২টি করে উইকেট বরুণ চক্রবর্তী ও রবীন্দ্র জাডেজার।
প্রথম উইকেট জমাট হতে দেননি ভারতীয় তারকা পেসার মহম্মদ সামি। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় উইকেটে যথাক্রমে স্মিথ-হেড ৫০ এবং স্মিথ-লাবুশেন ৫৬-র পার্টনারশিপ গড়েন। ক্যাপ্টেন স্মিথ লড়াই করেন। পাশাপাশি অ্যালেক্স ক্যারি ৫৭ বলে ৬১ রান করেন। তাঁকে রান আউট করেন শ্রেয়স আইয়ার। ডাইরেক্ট হিট না হলে ক্যারি আরও কিছুক্ষণ অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস ‘ক্যারি’ করতে পারতেন।
অজিদের হয়ে স্মিথ, ক্যারি, হেড ছাড়া খানিক বলার মতো রান করেছেন লাবুশেন (২৯)। সবমিলিয়ে ৪৯.৩ ওভারে ২৬৪ রান তুলে গুটিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। সামির ৩ উইকেট, বরুণ ও জাডেজার ২ উইকেট ছাড়া ১টি করে উইকেট হার্দিক পান্ডিয়া ও অক্ষর প্যাটেলের।
২৭০-এর বেশি রান তুলতে পারলে অস্ট্রেলিয়া ভালো জায়গায় থাকত। চাপ হত ভারতের। কারণ আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির গ্রুপ পর্বে টিম ইন্ডিয়ার প্রথম তিন ম্যাচে যে পিচে খেলেছে তার মতো পিচ স্লো নয়। এই উইকেট বেশ ভালোই। তুলনামূলক ধীরগতির নয়। ফলে এখানে ২৭০ এর বেশি রান তাড়া করা খানিক চাপেরই হত।