
হার্দিক পান্ডিয়া গুজরাট টাইটান্স ছেড়ে যাওয়ার পর জোড়া শূন্যতা তৈরি হয়েছিল। প্রথমত ক্যাপ্টেন্সি। দ্বিতীয়ত, একজন পেস বোলিং অলরাউন্ডার। দুই শূন্যতা পূরণ হঠাৎ সম্ভব নয়। নিলামে একটা চেষ্টা করেছিল টাইটান্স। ঘুঁটি সাজানো ছিল। একটা নাম উঠতেই তাঁর জন্য ঝাঁপায় গুজরাট টাইটান্স। আফগানিস্তানের এক ক্রিকেটার। ভারতের মাটিতে গত ওয়ান ডে বিশ্বকাপে দুর্দান্ত পারফর্ম করেছিল আফগানিস্তান। আর তাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছিলেন আজমতুল্লা ওমরজাই।
আফগান ক্রিকেটারকে নিয়ে বাকি ফ্র্যাঞ্চাইজি সে ভাবে আগ্রহ দেখায়নি। টাইটান্স তাঁকে বেস প্রাইসেই নিয়েছিল। এর নেপথ্যে মাস্টারমাইন্ড নেহরাজী। সাইড লাইনে দাঁড়িয়ে নেহরা সেই অস্ত্রকে কী ভাবে ব্যবহার করতে হবে, বুঝিয়ে গিয়েছেন শুভমনকে। তরুণ ক্যাপ্টেন সেই পরামর্শ কাজে লাগিয়েছেন। আইপিএলে গুজরাট টাইটান্সের প্রবেশ ২০২২ সালে। গত দু-মরসুমে পাওয়ার প্লে-তে গুজরাট টাইটান্সের সেরা অস্ত্র ছিলেন মহম্মদ সামি। পাওয়ার প্লে-তেই তাঁকে টানা তিন ওভারের স্পেল করানো হত।
গুজরাট টাইটান্স অভিষেক মরসুমেই ট্রফি জেতে। গত মরসুমে রানার্স। এর নেপথ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ছিল সামির পাওয়ার প্লে বোলিং। নতুন বলেই প্রতিপক্ষ শিবিরে ভাঙনের প্রাথমিক কাজটা সেরে দিতেন। ওয়ান ডে বিশ্বকাপে চোট পেয়েছিলেন মহম্মদ সামি। সম্প্রতি তাঁর অস্ত্রোপচারও হয়েছে। ফলে আইপিএল থেকে ছিটকে গিয়েছেন সামি। হার্দিকের বিকল্প খুঁজতে গিয়ে সামির দায়িত্ব পালন করার মতো অস্ত্রও যেন পেয়ে গিয়েছে গুজরাট টাইটান্স।
মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে প্রথম স্পেলেই তিন ওভার বোলিং করানো হয় আজমতুল্লা ওমরজাইকে। ৩ ওভারে ২৭ রান দিয়ে ২ উইকেট। ব্যাটিংয়ে নামানো হয় চার নম্বরে। শুরুটা ভালোই করেছিলেন। আইপিএলের মতো বড় মঞ্চে প্রথম ম্যাচ। একটু নার্ভাস থাকাই স্বাভাবিক। ১১ বলে ১৭ রান করেন এই আফগান অলরাউন্ডার। তাঁকে ধারাবাহিক সুযোগ দেওয়া হলে গুজরাট টাইটান্স যে লাভবান হবে, এই সম্ভাবনা তৈরি করে দিলেন ওমরজাই।