
শুরুতেই থ্রিলার দেখল ইডেন গার্ডেন্স। এই মাঠে এমন থ্রিলার অনেক হয়েছে। তবে এ বারেরটা স্পেশাল। কেকেআরে ফিরেছেন গৌতম গম্ভীর। গ্য়ালারিতে ছিলেন শাহরুখ খান। প্রত্যাবর্তন হয়েছে শ্রেয়স আইয়ারের। শুরুতে সবই যেন খাপছাড়া ছিল। আর শেষ দিকেও তেমনই পরিস্থিতি দাঁড়াল। স্নায়ুর চাপ সামলে জিতল কলকাতা নাইট রাইডার্স। গ্য়ালারির গর্জনে সমস্যায় পড়েছিলেন কেকেআর অধিনায়ক! শেষ ওভারে ১২ রান ডিফেন্ড করতে হত, সেখানে কেন হর্ষিত রানা? এই প্রশ্নের উত্তর মিলল ক্যাপ্টেন এবং ম্যাচের সেরা রাসেলের কাছ থেকে।
ম্যাচের শুরুতে কেকেআরকে ভরসা দিয়েছিলেন ফিল সল্ট। এরপর রাসেল মাসল। সঙ্গে রিঙ্কু সিং, রমনদীপ সিংরাও অবদান রাখেন। সানরাইজার্সের জন্য ২০৯ রানের লক্ষ্যটা নেহাত কম ছিল না। কেকেআরের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চাপ বাড়ছিল সানরাইজার্স শিবিরে। কিন্তু হেনরিখ ক্লাসেনের ব্যাটিং ম্যাচে ফেরায় সানরাইজার্সকে। এমন সময় মিচেল স্টার্কের মতো অভিজ্ঞ বোলারের থেকে ভালো কিছুর প্রত্যাশা ছিল। যদিও প্রথম ম্যাচে চূড়ান্ত ব্যর্থ স্টার্ক।
শেষ ওভারে হর্ষিত রানার মতো অনভিজ্ঞ বোলার ম্যাচ জেতাবে! একশো শতাংশ ভরসা ছিল না কেকেআর শিবিরেও। ক্যাপ্টেন শ্রেয়স আইয়ার পুরস্কার বিতরণে বলেন, ‘১৭ ওভার থেকে আমিও চাপে ছিলাম। শেষ ওভারে মনে হয়েছিল, যা কিছুই হতে পারে। আমাদের অনভিজ্ঞ বোলার ছিল। তবে এরকম মঞ্চও প্রয়োজন। এটাই সুযোগ ছিল নায়ক হওয়ার। আমাদের কাছে একটাই বার্তা ছিল, তোমরা চেষ্টা করো, হার-জিত নিয়ে ভেবো না। টিমের মধ্যে এবং কোচেরাও তাই বলেছে।’
ম্যাচের সেরা রাসেল জানালেন শেষ ওভারের কাহিনি। বলছেন, ‘হর্ষিতের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দুর্দান্ত ছিল। ও বোলিং করতে চাইছিল। ও নিজেই বল চেয়ে নিয়েছিল। দায়িত্ব পালন করেছে।’ গত বারের আইপিএলেই কেকেআর জার্সিতে অভিষেক হয় হর্ষিতের। এ বার নতুন বলে স্টার্কের বোলিং সঙ্গী। তবে শেষ ওভারে ম্যাচ জিতিয়ে টিমের নায়ক হর্ষিতই।