
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আরও একটা সেঞ্চুরির সামনে ছিলেন বিরাট কোহলি। ওয়ান ডে ক্রিকেটে ৫২ নম্বর সেঞ্চুরিটা অবশ্য এল না। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে সেঞ্চুরিরর নিরিখে সবার উপরে রয়েছেন মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকর। কেরিয়ারে সব মিলিয়ে একশোটি সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। সচিনের সঙ্গে ব্যবধান আরও একটু কমবে, এমন সম্ভাবনাই ছিল। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে গ্রুপের ম্যাচে সেঞ্চুরি করেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৮৪ রানে ফেরেন চেজমাস্টার। যদিও নানা কারণে এই ইনিংসকে তুলনা করলেন পাকিস্তান ম্যাচের সঙ্গেই।
ওয়ান ডে ক্রিকেটে ভারতের একটা ট্রেন্ড অনেক আগেই শুরু হয়েছিল। অ্যাটাকিং ক্রিকেট। কিন্তু বিরাট কোহলির ভূমিকাটা আলাদা। বিরাটকে কেন্দ্র করে বাকিরা আক্রমণাত্মক ব্যাটিং করেন। এই ম্যাচেও তাই হয়েছে। রোহিত ও শুভমন আক্রমণাত্মক শুরুই দিতে চেয়েছিলেন। প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। শুভমন ফেরেন ৮ রানেই। দু-বার ক্যাচ মিসে জীবন পেয়েছিলেন রোহিত। তিনিও করেন ২৮ রান। এরপর বিরাট কোহলি ও শ্রেয়স আইয়ারের দুর্দান্ত জুটি।
বিরাট কোহলির ৮৪ রানের ইনিংসে মাত্র ৫টি বাউন্ডারি। কোনও ছয় নেই। সিঙ্গল নিয়েছেন ৫৬টি! পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সেঞ্চুরির ইনিংসেও ৭টি মাত্র বাউন্ডারি মেরেছিলেন। অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে ম্যাচের সেরা বিরাট কোহলি বলেন, ‘আমার মতে আজকের ইনিংসটাও পাকিস্তান ম্যাচের মতোই। সেখানে সেঞ্চুরি করলেও মাত্র ৭টি বাউন্ডারি মেরেছিলাম। আমার কাছে সবচেয়ে জরুরি পরিস্থিতি বুঝে ব্যাটিং করা। স্ট্রাইক রোটেট করা অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ, এই ধরনের পিচে পার্টনারশিপ খুবই জরুরি। আজও সেটাই চেষ্টা করেছি।’
ম্যাচটা ফিনিশ করে আসতে না পারার আক্ষেপ অবশ্য রয়েছে। সেই পরিকল্পনার কথাও জানিয়ে দিলেন বিরাট। বলেন, ‘টার্গেট ছিল স্ট্রাইক রোটেট করে আরও ২০টা রান করা। এরপর বাউন্ডারি মেরে দ্রুত ম্যাচ ফিনিশ করার চেষ্টা করতাম। তবে সব সময় পরিকল্পনা অনুযায়ী সব হয় না। পিচ-পরিস্থিতির উপরও অনেক কিছু নির্ভর করে।’