
দাদা সরফরাজ খান আইপিএলের গত সংস্করণে দিল্লি ক্যাপিটালসে ছিলেন। কিন্তু এ বার তাঁকে রিটেইন করেনি দিল্লি টিম ম্যানেজমেন্ট। DC-র হয়ে তাঁর পারফরম্য়ান্স ভালো ছিল না। ভেঙে পড়েননি সরফরাজ। টেস্ট অভিষেক হয়েছে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে অভিষেক সিরিজেই নজর কেড়েছেন সরফরাজ। একই চিত্র ভাই মুশির খানের ক্ষেত্রেও। অনূর্ধ্ব ১৯ স্তরের বেশ কয়েকজন ক্রিকেটার আইপিএলের মিনি অকশনে নাম দিয়েছিলেন। দল পাননি মুশির। রঞ্জি ফাইনালে উল্টোদিকে কেকেআর ক্যাপ্টেন, গ্যালারিতে কোচ। তাহলে কি…? বিস্তারিত জেনে নিন TV9 Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
ভারতের অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ছিলেন সরফরাজ খানের ভাই মুশির খান। মনে করা হয়েছিল, এই থ্রি-ডি ক্রিকেটারকে কোনও না কোনও দল নেবেই। সাদা বলের ক্রিকেটে তিনে ব্যাট করতে পারেন। প্রয়োজনে লোয়ার অর্ডারেও। বোলিংটাও দুর্দান্ত। আর ফিল্ডিং নিয়ে আলাদা করে কোনও প্রশংসাই যথেষ্ঠ নয়। অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপে মুশিরের সতীর্থ আর্শিন কুলকার্নি, আরাবল্লি অবনীশরা আইপিএলে দল পেয়েছেন। মুশির খান অবিক্রিতই থাকেন।
বিশ্বকাপে জোড়া সেঞ্চুরি। ফিরে রঞ্জি কোয়ার্টার ফাইনালে ডাবল সেঞ্চুরি। আর ফাইনালের মঞ্চে সেঞ্চুরি। তাও আবার উল্টোদিকে দাঁড়িয়ে অনবদ্য এই ইনিংস দেখলেন কেকেআর অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। কেকেআর ক্যাপ্টেনের সঙ্গে দুর্দান্ত একটা জুটি গড়লেন। আর স্ট্যান্ডে মাস্টার ব্লাস্টার সচিন তেন্ডুলকরের সঙ্গে উপস্থিত রয়েছেন মুম্বইয়ের প্রাক্তন ক্রিকেটার তথা কলকাতা নাইট রাইডার্স কোচ চন্দ্রকান্ত পন্ডিত। মুশিরের জন্য কি আইপিএলের দরজা খুলবে? এমন থ্রি-ডি ক্রিকেটারকে ভবিষ্যতের বিনিয়োগ হিসেবে নিতেই পারে কেকেআর।