
কলকাতা: সময়কে সময় দিলে অনেক কিছুই বদলে যায়। অপেক্ষা করলেও মেলে ভালো ফল। মেলবোর্নে যে মেজাজে সেঞ্চুরি করেছেন নীতীশ কুমার রেড্ডি, তাতে তাঁকে নিয়ে আলোচনা থামছেই না। বয়স তাঁর কম। ভারতীয় ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে উজ্জ্বল তিনি। ভবিষ্যতে ভারতীয় টিমে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের তিন ফর্ম্যাটেই তাঁর ধামাকা দেখা যেতে পারে। চলছে এটা নিয়েও চর্চা। একদিকে নীতীশ যখন মেলবোর্নে ১০৫ রানের অপরাজিত ইনিংস উপহার দিলেন, সেই দিনই সেকেন্দ্রাবাদের জিমখানা গ্রাউন্ডে ব্যাট হাতে এক্কেবারে ব্যর্থ হলেন দেশের তারকা অলরাউন্ডার।
কপিল দেবের পর একটা সময় বলা হত হার্দিক পান্ডিয়া হলেন সেই ক্রিকেটার, যিনি তিন ফর্ম্যাটেই ভারতীয় টিমকে ভরসা দিতে পারেন। তিন ফর্ম্যাটের অলরাউন্ডার হয়ে ওঠা হয়নি হার্দিকের। ২০১৮ সালের পর থেকে টেস্ট ক্রিকেটে খেলা হয়নি হার্দিকের। তিনি চোট পাওয়ার পর ভারতের টেস্ট টিমে জায়গা হারিয়েছেন। নীতীশ যে ভাবে খেলছেন, তাতে হার্দিক যদি ফিটনেস ধরে রাখতে না পারেন, তা হলে জাতীয় দলে জায়গা হারাতে তাঁর বেশি সময় লাগবে না।
ভারতের শেষ ওয়ান ডে অ্যাসাইনমেন্টে খেলেননি হার্দিক পান্ডিয়া। তিনি কি শুধু টি-২০ ক্রিকেটারই থেকে যাবেন? ফিটনেস ও পারফরম্যান্সের উপর নির্ভর করছে তা। পঁচিশে রয়েছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি। ৫০ ওভারের এই টুর্নামেন্টের আগে হার্দিক ফিটনেস প্রমাণ করতে না পারেন, তা হলে নীতীশকে প্রথম পছন্দের অলরাউন্ডার হিসেবে বেছে নিতে পারে টিম ম্যানেজমেন্ট।
বাংলার বিরুদ্ধে বিজয় হাজারে ট্রফিতে ব্যাট হাতে আজকের ম্যাচে হার্দিকের অবদান মাত্র ১ রান। তিনি বল করেছেন ৭ ওভার। খরচ করেছেন ৩৩ রান। নিয়েছেন ১টি উইকেট। বাংলার ওপেনার অভিষেক পোড়েলকে (১) প্রথম ওভারেই ফেরান হার্দিক। প্রথমে ব্যাটিং করে ৪৮.৫ ওভারে ২২৮ রান তুলেছিল বরোদা। রান তাড়া করতে নেমে ৪২ বল বাকি থাকতেই ম্যাচ বের করে নেয় বাংলা। ৭ উইকেটে জয় সুদীপ কুমার ঘরামিদের।