
কলকাতা নাইট রাইডার্স সমর্থকদের উচ্ছ্বাসের রেশ কাটছে না। এমনটাই স্বাভাবিক। সব দিক থেকেই এ বার প্রত্যাশা অনেক বেশি। গৌতম গম্ভীর মেন্টর হিসেবে ফিরেছেন। কেকেআরের কাছে এটাই সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। ক্যাপ্টেন হিসেবে দু-বার ট্রফি দিয়েছেন গম্ভীর। নতুন ভূমিকায় গম্ভীর একই সাফল্যের স্বাদ পাবেন, এই প্রত্যাশাই করছেন। তিনি না হয় স্ট্র্যাটেজি গড়বেন। মাঠে নেমে পারফরম্যান্স ক্রিকেটারদেরই করতে হবে।
প্রথম ম্যাচে হতাশ করেছে কেকেআরের টপ অর্ডার। গম্ভীর ফেরায় দীর্ঘ দিন পর ওপেনিংয়ে দেখা গিয়েছে সুনীল নারিনকে। রান আউট হয়ে ফেরেন তিনি। সবচেয়ে বেশি হতাশার শ্রেয়স আইয়ারের পারফরম্যান্স। ক্যাপ্টেন রান না পেলে টিমের মানসিকতা ডাউন থাকে। কেকেআরের প্রাপ্তিও অনেক। ওপেনিংয়ে ফিল সল্টের ইনিংস। এ বারই দলে নেওয়া হয়েছে তাঁকে। তেমনই রমনদীপ, রিঙ্কুরাও ভালো পারফর্ম করেছেন। বল হাতে শেষ ওভারে নায়ক হয়ে উঠেছিলেন হর্ষিত রানা। কিন্তু কেকেআরের আসল নায়ক আন্দ্রে রাসেলই।
ব্যাট হাতে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন কেকেআরের অলরাউন্ডার। নিজের দিনে রাসেল কতটা ভয়ঙ্কর হয়ে উঠতে পারেন, তা ভালো ভাবেই টের পেয়েছে সানরাইজার্স বোলিং আক্রমণ। ব্যাট হাতে বিধ্বংসী। ছয় মারার ক্ষেত্রে ডাবল সেঞ্চুরিও করেছেন রাসেল। বল হাতে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স। ম্যাচের সেরার পুরস্কার তাঁকে ছাড়া আর কাকেই বা দেওয়া হত!
পুরস্কার বিতরণে আন্দ্রে রাসেলকে সঞ্চালক হর্ষ ভোগলে প্রশ্ন করেন, এটি তাঁর কত নম্বর সেরার পুরস্কার! হেসে ফেলেন কেকেআর অলরাউন্ডার। বলেন, ‘এ বার থেকে গুনতে হবে। আমিও জানি না।’ হর্ষ ভোগলে মজা করে বলেন, ‘তোমার বোধ হয় পুরস্কার রাখার জন্য আলাদা একটা বাড়ি বানাতে হবে। কেকেআরকে বলো, বানিয়ে দেবে।’ দু-জনেই হাসিতে ফেটে পড়েন।