Shami On Bumrah: অবিশ্বাস্য ফর্মে বুমরা, আসল কারণ তুলে ধরলেন বাংলার পেসার সামি
India vs England Test Series: বাংলার পেস বোলার চোটের কারণে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে নেই। লন্ডনে আপাতত চোটের চিকিৎসা করাচ্ছেন। সেই সামিই বলে দিয়েছেন, 'ভারতীয় ক্রিকেটকে লোকে পছন্দ করত ব্যাটিংয়ের জন্য। সেই তারাই এখন বোলারদের জন্য গলা ফাটাচ্ছে। এর থেকে বেশি সুখ আর কীসে থাকতে পারে। ওয়ান ডে বিশ্বকাপের সময় থেকেই লোকে ভারতীয় পেসারদের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছিল। কিন্তু সার্বিক ছবি দেখতে হলে আমাদের পিছিয়ে যেতে ২০১৩-১৪তে।

কলকাতা: ১৫০ উইকেটের ক্লাবে সবাইকে টপকে এক নম্বরে চলে এসেছেন জসপ্রীত বুমরা। বিশাখাপত্তনম টেস্টে বুমরা ৯ উইকেট নিয়েছেন। কার্যত একাই ভারতীয় টিমকে জয়ের সরণিতে ফিরিয়েছেন বুমরা। অফস্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন টেস্টে ৮৩৮০ বল ডেলিভারি করে নিয়েছিলেন ১৫০ উইকেট। এর পরই পেস বোলারদের রাজত্ব। ১৯৮৩ সালে ভারতকে বিশ্বকাপ জেতানো কপিল দেব ৮৩৭৮ বল ডেলিভারি করে নিয়েছেন ১৫০ উইকেট। মহম্মদ সামি সমসংখ্যাক উইকেট নিতে খরচ করেছিলেন ৭৭৫৫ বল। উমেশ যাদবের ক্ষেত্রে লেগেছিল ৭৬৬১ বল। বুমরা সে দিক থেকে অনেক এগিয়ে। ৬৭৮১ বল লেগেছে টেস্টে ১৫০ উইকেট নিতে। উমেশের থেকে ৮৮০ বল কম লেগেছে নয়া রেকর্ড কায়েম করতে। ভারতীয় পেস বোলিংয়ের সোনালি যুগ শুরু হল কী ভাবে? মহম্মদ সামি দিলেন ব্যাখ্যা। বিস্তারিত জেনে নিন TV9Bangla Sports-এর এই প্রতিবেদনে।
বাংলার পেস বোলার চোটের কারণে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজে নেই। লন্ডনে আপাতত চোটের চিকিৎসা করাচ্ছেন। সেই সামিই বলে দিয়েছেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেটকে লোকে পছন্দ করত ব্যাটিংয়ের জন্য। সেই তারাই এখন বোলারদের জন্য গলা ফাটাচ্ছে। এর থেকে বেশি সুখ আর কীসে থাকতে পারে। ওয়ান ডে বিশ্বকাপের সময় থেকেই লোকে ভারতীয় পেসারদের পারফরম্যান্স নিয়ে কথা বলতে শুরু করেছিল। কিন্তু সার্বিক ছবি দেখতে হলে আমাদের পিছিয়ে যেতে ২০১৩-১৪তে। ওই সময় থেকেই পেসারদের যাত্রা শুরু হয়েছিল।’
সামি ভুল বলেননি। তাঁর ব্যাখ্যা, ‘তথ্যের দিকে তাকালে কিন্তু দেখা যাবে, বিশ্বকাপের সময় তিনজন পেসার, যাদের নিয়ে ধারাবাহিক ভাবে আলোচনা হয়েছে। ভবিষ্যতের পেসারদের জন্য আমরা একটা মান ঠিক করে দিয়েছি। ভুবনেশ্বর কুমার, ইশান্ত শর্মা, উমেশ যাদবরা এটা শুরু করেছিল। তারপর এসেছে বুমরা। তারপর সিরাজ। এরা প্রত্যেকেই একটা মান ঠিক করে দিয়েছে। গত ৬-৮ বছরের রেকর্ড দেখলে বুঝতে পারা যাবে, ভারতীয় টিম ঘরের মাঠে যে কোনও টিমকে হারানোর ক্ষমতা রাখে। এটাই আমাদের মতো পেসারদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে। এটাই আমাদের ২০২৪ সালেও পারফর্ম করার রসদ জোগাচ্ছে।
