
কলকাতা: বিশ্বকাপের সময়ও টেনশন ছিল। বিশেষ করে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের সময়। জঙ্গি আশঙ্কার পাশাপাশি আমেদাবাদের স্পর্শকাতর জায়গা যাতে নিয়ন্ত্রণে থাকে, কোনও ত্রুটি রাখেনি কেন্দ্রীয় সরকার। ভারত-অস্ট্রেলিয়া ফাইনালের সময়ও তৈরি হয়েছিল একই পরিস্থিতি। সে বার সব কিছু উতরে গিয়েছিল। আইপিএলের (IPL) প্রথম কোয়ালিফায়ারেও হঠাৎ জঙ্গি হানার আশঙ্কা। কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) ও সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (SRH) মুখোমুখি নামছে প্রথম কোয়ালিফায়ারে। যে টিম জিতবে, ফাইনালে উঠে যাবে। যারা হারবে, খেলতে হবে পরের ম্যাচ। গৌতম গম্ভীরের টিম কিন্তু হায়দরাবাদকে হারানোর জন্য মরিয়া হয়ে নামতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্টেডিয়ামে। কিন্তু তার আগে হঠাৎই টেনশনে পুরো আইপিএল।
কেকেআর-হায়দরাবাদ ম্যাচের আগে আমেদাবাদ বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার হয়েছে চার জঙ্গি। আর সেই কারণে হঠাৎই নরেন্দ্র মোদী স্টেডিয়ামকে মুড়ে ফেলা হয়েছে নিরাপত্তার চাদরে। ৩ হাজার নিরাপত্তারক্ষী মোতায়েন থাকছে স্টেডিয়ামে। ৮০০ প্রাইভেট সিকিউরিটি গার্ড রাখা হচ্ছে স্টেডিয়ামের চার মূল গেটে। থাকছেন পুলিশের আধিকারিকরা। যাতে সমস্ত আশঙ্কা দূর করা যায়। আইপিএলের আকর্ষণীয় ম্যাচ নির্বিঘ্নে শেষ করা যায়। সোজা কথা বললে, নিরাপত্তার তিনটে ধাপ পেরিয়ে তবেই মাঠে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শকরা। গ্যালারিতেও থাকবে কড়া নিরাপত্তা।
এই ম্যাচ সব দিক থেকে আকর্ষণীয়। ২০১৪ সালে শেষবার কেকেআর চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল আইপিএলে। ২ বছর আগে ফাইনালে উঠলেও খেতাব আসেনি। সেই হতাশা এ বার পাল্টে দিয়েছেন গৌতম গম্ভীর। পুরো মরসুম জুড়ে চমৎকার ক্রিকেট উপহার দিয়েছেন নাইটরা। কিন্তু গ্রুপ পর্যায়ের ম্যাচে কী করেছে টিম, তা আর কোয়ালিফায়ারে বিচার্য হবে না। ফাইনালের টিকিট পাওয়া এবং চ্যাম্পিয়ন হতে না পারলে কেউই গম্ভীরের এই ‘বদল’ মনে রাখবে না। সেটা খুব ভালো করে জানেন গম্ভীর নিজেও। প্যাট কামিন্সের হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে যে কারণে সেরাটা দিতে মুখিয়ে রয়েছেন নারিন, শ্রেয়সরা।