
কলকাতা: দীর্ঘ ১৬ বছর আরসিবির জার্সি গায়ে চাপিয়ে আইপিএলে খেলেছেন বিরাট কোহলি। এ বারও খেলবেন। ইতিমধ্যেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু শিবিরে যোগ দিয়েছেন কিং কোহলি। শুরু করে দিয়েছেন অনুশীলনও। রবি-রাতে উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আরসিবি। স্মৃতি মান্ধানার হাত ধরে এই প্রথম বার ডব্লিউপিএল ট্রফি এল আরসিবি শিবিরে। উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগকে অনেকেই মেয়েদের আইপিএলের চোখে দেখেন। এ বার তাই আরসিবি ডব্লিউপিএল খেতাব জিততেই দেশের বিভিন্ন প্রান্তে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির অনুরাগীরা বিরাট সেলিব্রেশন করছেন। স্মৃতি মান্ধানারাও রাতভর উইমেন্স প্রিমিয়ার লিগ জয়ের সেলিব্রেশন করেছেন। আর তাতেই ভার্চুয়ালি সামিল হয়েছিলেন বিরাট কোহলিও।
আরসিবিকে দিল্লি ক্যাপিটালসকে হারিয়ে ডব্লিউপিএল জেতার পর রাতেই বিরাট কোহলি ফোন করেন স্মৃতি মান্ধানাকে। তাঁর সঙ্গে কথা বলে শুভেচ্ছা বার্তা দেন। সেই সময় বিরাট কোহলির মুখে হাসি ছিল দেখার মতো। ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে, আরসিবির ক্রিকেটাররা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার জন্য নাচ করছিলেন। সেই সময় ভিডিয়ো কলে ছিলেন বিরাট কোহলি। তিনিও ট্রফি জয়ের খুশিতে নাচতে থাকেন। ভিডিয়ো কলে ধরা পড়ে সেই ছবি।
ফাইনাল ম্যাচ পরবর্তী কনফারেন্সে স্মৃতি জানান, সেলিব্রেশনের এত আওয়াজের জন্য বিরাট ঠিক কী বলছিলেন তা শুনতে পাননি তিনি। স্মৃতির কথায়, ‘বিরাট কী বলছিলেন, তা কিছুই শুনতে পাইনি। ওখানে এত বেশি আওয়াজ হচ্ছিল বলে। তিনি আমাকে থাম্বস আপ দেখান এবং আমি তাঁকে থাম্বস আপ দেখাই। আমি ওনার সঙ্গে দেখা করব। ওনাকে ভীষণ খুশি দেখাচ্ছিল। একটা উজ্জ্বল হাসি ছিল তাঁর মুখে।’
এরপরই স্মৃতি অতীতে ফিরে বলেন, ‘আমার মনে আছে গত বছর আমাদের পেপটক দিয়েছিলেন বিরাট কোহলি। যা আমাকে ব্যক্তিগতভাবেই সাহায্য করেছিল। তিনি এই ফ্র্যাঞ্চাইজির সদস্য। ওনার মুখের হাসি অনেক কিছু বলে দিচ্ছিল। আওয়াজের জন্য তিনি কী বলছিলেন তা আমি শুনতে পাইনি। আশা করছি আমরা যখন বেঙ্গালুরুতে যাব ওনার সঙ্গে দেখা হবে।’
স্মৃতি আরসিবিকে প্রথম ডব্লিউপিএল খেতাব এনে দিলেন। এ বার যে কারণে আরসিবির অনুরাগীরা প্রবলভাবে চাইছেন, বিরাটের হাত ধরে আইপিএল আসুক ওই শিবিরে। চব্বিশের আইপিএলে তেমনটা যে হবে না, বলা যাচ্ছে না।