ISL : ‘ব্রাত্য’ তালালেই হ্যাটট্রিক হল না ইস্টবেঙ্গলের!

নিঃসন্দেহে আজ ম্যাচের প্রাণভোমরা ছিলেন তালাল। জামশেদপুরের খেলা নিয়ন্ত্রণ তিনিই করছিলেন। তুলনায় আজ অনেক নিষ্প্রভ ছিলেন মিগুয়েল, রশিদরা। দ্বিতীয়ার্ধে আরও বেশ কয়েক সুযোগ পেয়েছিল জামশেদপুর। সেগুলো গোল হলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত লাল হলুদের বিপক্ষে।

ISL : ব্রাত্য তালালেই হ্যাটট্রিক হল না ইস্টবেঙ্গলের!
Image Credit source: East Bengal's official facebook page

| Edited By: Moumita Das

Feb 27, 2026 | 8:22 PM

কলকাতা : এগিয়ে গিয়েও হার। জয়ের হ্যাটট্রিক হল না ইস্টবেঙ্গলের। সল্টলেকে জামশেদপুরের বিরুদ্ধে ১-০ এগিয়ে থেকেও ১-২ গোলে হার লাল-হলুদ ব্রিগেডের। টানা ৩টি ম্যাচ জিতে লিগের শীর্ষে উঠে গেল জামশেদপুর। এর আগে দুটি ম্যাচ জিতলেও আজ জেতা হল না অস্কার ব্রুজোর ছেলেদের। এর মূলে রয়েছে খারাপ ফুটবল ও অসংখ্য সুযোগ মিস। গত মরসুমে ইস্টবেঙ্গলে খেললেও চোটের কারণে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল রাফায়েল মেসি বাউলি ও মাদিহ তালালকে। আজ তাঁরাই লাল-হলুদের জয়ের রাস্তা কঠিন করলেন।

ম্যাচের দুই মিনিটের মধ্যেই গোল খেয়ে যেত ইস্টবেঙ্গল। মিগুয়েলের ক্রস হেড করতে গিয়েছিলেন জয় গুপ্তা। বলের সঙ্গে মাথার সম্পর্ক না হওয়ায় বল পান তালাল। তাঁর পা থেকে বল যায় ব্যারেটোর কাছে। ব্যারেটোর শট প্রতিহত করলেন লাল হলুদ গোলরক্ষক গিল। তালাল ও মেসি বাউলি যেন পুরোনো ক্লাবের বিরুদ্ধে নেমেছিলেন কিছু পুরোনো হিসেবে মাথায় রেখেই। ৭ মিনিটে মেসি বাউলির গোল অফসাইডের জন্য বাতিল করে দেন রেফারি। এরপর থেকেই ম্যাচে ফিরতে শুরু করে ইস্টবেঙ্গল। জিকসন সিংহের দূরপাল্লার শট প্রতিহত হয়ে যায়। মিগুয়েল এবং বিপিন নিজেদের মধ্যে যুগলবন্দী করে বারবার জামশেদপুর বক্সে ঢুকে আসেন। ১৮ মিনিটে তালালের ফ্রি কিক আঙ্গুল ছুইঁয়ে বাঁচিয়ে দেন গিল। প্রায় আচমকাই ৪০ মিনিটে ১-০ এগিয়ে যায় লাল হলুদ ব্রিগেড। বিপিনের ক্রস থেকে বল পান এডমন্ড। তিনি বল গোলে জড়াতে ভুল করেননি। বিরতির ঠিক আগেই আরও একটি সহজ গোলের সুযোগ নষ্ট করেন এজ্জেজারি। তাহলেই হয়ত ২-০ এগিয়ে যেত অস্কার ব্রুজোর ছেলেরা। দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গল বহু চেষ্টা করছিল ম্যাচে ফেরার। একের পর এক আক্রমণ তৈরী করছিল তারা। পাল্টা আক্রমণ শুরু করে জামশেদপুরও। ৬০ মিনিটের মাথায় নিকোলার ভাসানো বল হেড করে সমতা ফেরান ইজে। এরপর থেকেই যেন দুই দল রক্ষণ তৈরী রেখে আক্রমণে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় দুই দল। ৮৭ মিনিটে জামশেদপুরকে ১-২ এগিয়ে দেন রেই তাচিকাওয়া। তালালের দুর্দান্ত ব্যাকফালিকের পাস্ নিখুঁত শটে জালে জড়িয়ে দেন রেই। হতচকিত হয়ে যান গিল ও যুবভারতীতে উপস্থিত ২২ হাজার লাল হলুদ সমর্থক।

নিঃসন্দেহে আজ ম্যাচের প্রাণভোমরা ছিলেন তালাল। জামশেদপুরের খেলা নিয়ন্ত্রণ তিনিই করছিলেন। তুলনায় আজ অনেক নিষ্প্রভ ছিলেন মিগুয়েল, রশিদরা। দ্বিতীয়ার্ধে আরও বেশ কয়েক সুযোগ পেয়েছিল জামশেদপুর। সেগুলো গোল হলে ব্যবধান আরও বাড়তে পারত লাল হলুদের বিপক্ষে।