
ইন্ডিয়ান সুপার লিগের শীর্ষ ছয়ে থাকা হবে ইস্টবেঙ্গলের? এই প্রশ্নের উত্তর অজানা। কারণ, ইস্টবেঙ্গলের ভাগ্য শুধু নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নেই। প্রথমত, নিজেদের সব ম্যাচ জিততে হবে, এরপর বাকি অঙ্ক। কাল, ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ডাবল হেডার। বিকেলের ম্যাচে দিল্লিতে মুখোমুখি পঞ্জাব এফসি ও ইস্টবেঙ্গল। দ্বিতীয় ম্যাচে মুখোমুখি কেরালা ব্লাস্টার্স ও এফসি গোয়া। দ্বিতীয় ম্যাচটির ফলের উপর লিগ শিল্ডের ফয়সালাও হয়ে যেতে পারে।
আইএসএলের এ মরসুমে ইস্টবেঙ্গলের শুরু থেকে হতাশাই ছিল। অস্কার ব্রুজো কোচ হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর সাময়িক ভাবে স্বপ্ন দেখার সুযোগ পেয়েছিলেন লাল-হলুদ সমর্থকরা। কিন্তু আবারও খেই হারায় ইস্টবেঙ্গল। দলে একাধিক চোট আঘাতও বড় রকমের ধাক্কা দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল শিবিরকে। ফুল স্কোয়াড পাননি অস্কার। মাঝপথে স্কোয়াডে নানা বদলও করতে হয়েছে আনতে হয়েছে বিদেশি ফুটবলারও। মরসুমের বাকি সব ম্যাচে সমর্থকদের আনন্দ দিতে খেলবেন, এমনটা বলেছিলেন ইস্টবেঙ্গলের বিদেশি ফুটবলার সাউল ক্রেসপো।
পঞ্জাবের বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচ ইস্টবেঙ্গলের। এ মরসুমে অ্যাওয়ে ম্যাচে সবচেয়ে বেশি হোঁচট খেয়েছে তারা। এখনও অবধি ১০টি অ্যাওয়ে ম্যাচের মধ্যে মাত্র দুটি জয়। আইএসএলে ইস্টবেঙ্গলের পরিস্থিতি খারাপ হলেও এএফসি চ্যালেঞ্জ লিগের নকআউটে উঠেছে। সেই টুর্নামেন্টের প্রস্তুতি সেরে নেওয়াটাও লক্ষ্য অস্কার ব্রুজোর টিমের।
দিনের দ্বিতীয় ম্যাচটি এফসি গোয়ার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। লিগ শিল্ডের দৌড়ে থাকতে হলে জিততে হবে। আর কেরালা ব্লাস্টার্স যদি গোয়াকে হারিয়ে দেয় টানা দ্বিতীয় বার লিগ শিল্ড জয়ের ইতিহাস গড়বে মোহনবাগান। তবে এই ম্যাচে গোয়া জিতলেও মোহনবাগানের যে বিশাল ক্ষতি হবে তা নয়। পরদিন অর্থাৎ রবিবার ঘরের মাঠে ওড়িশার বিরুদ্ধে নামছে মোহনবাগান। সেই ম্যাচ জিতলে আর কোনও অঙ্কই থাকছে না। সরাসরি লিগ শিল্ড দখলে রাখবে মোহনবাগান।