
ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ডিফেন্ডিং চ্যাম্পিয়ন মোহনবাগান। খেতাব ধরে রাখাই লক্ষ্য। এ মরসুমে ইতিহাস গড়েছে সবুজ মেরুন। প্রথম বার তারা লিগ শিল্ড জিতেছে। এ বার নকআউট ট্রফি জিততে পারলে ষোলোকলা পূর্ণ। যদিও রাস্তা কিছুটা কঠিন হয়েছে। সেমিফাইনালে মোহনবাগানের শক্ত গাঁট ওডিশা এফসি। প্রথম লেগে কলিঙ্গ স্টেডিয়ামে ওডিশার বিরুদ্ধে এগিয়ে ছিল মোহনবাগান। যদিও শেষ অবধি ১-২ ব্যবধানে হার। ফাইনালে যেতে হলে আজ জিততেই হবে মোহনবাগানকে।
ফাইনালে যাওয়ার শেষ সুযোগ। সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগের এই ম্যাচকে তাই ফাইনাল হিসেবেই দেখছেন মোহনবাগান কোচ আন্তোনিও লোপেজ হাবাস। টিমের কাছেও ফাইনালে যাওয়ার ফাইনাল। যুবভারতীতে ওডিশা এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয় লেগের ম্যাচ নিয়ে হাবাস বলছেন, ‘আগের ম্যাচ হারলেও ফিরতি লেগ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী। ১০০ শতাংশ দিয়েই জিততে চাইব। সেমিফাইনাল নয়, এই ম্যাচ ফাইনাল ধরে খেলতে চাই।’
গত ম্যাচে মোহনবাগান ও ওডিশা দু-দলেরই একজন করে লাল কার্ড দেখেছেন। মোহনবাগান পাবে না আর্মান্দো সাদিকুকে। তেমনই ওডিশা পাচ্ছে না কার্লোস দেলগাদোকে। গত ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দিয়েছিলেন দেলগাদো এবং রয় কৃষ্ণা। অতীতে হাবাসের কোচিংয়ে খেলেছেন রয় কৃষ্ণা। মোহনবাগানের এই প্রাক্তন ফুটবলারই প্রথম লেগে ওডিশার জয়সূচক গোলটি করেছিলেন। দ্বিতীয় লেগেও তাঁকে নিয়ে বাড়তি সতর্ক থাকতে হবে।
যুবভারতীতে নামার আগে হাবাস আরও বলছেন, ‘রয় কৃষ্ণা ভালো ফুটবলার। আমার কোচিংয়েও খেলেছে। শুধুমাত্র একজন ফুটবলারকে নিয়ে ভাবছি না। পুরো দলকেই গুরুত্ব দিচ্ছি। ৯০ মিনিটেই ম্যাচ শেষ করতে চাই। এক্সট্রা টাইম পর্যন্ত যেতে দিতে চাই না।’
দু-দলের কাছে চ্যালেঞ্জ আবহাওয়া। ওডিশাতেও গরম ছিল। কলকাতাতেও প্রচন্ড গরম। ফুটবলারদের কাছে খুবই কঠিন পরীক্ষা। এক্সট্রা টাইমে ম্যাচ গড়ানো মানে আরও কষ্ট। ৯০ মিনিটে ম্যাচ শেষ করার যেন বাড়তি তাগিদ থাকবে। তবে মোহনবাগানের জন্য একটা অ্যাডভান্টেজ, গ্যালারি। হাজার হাজার সবুজ মেরুন সমর্থক থাকবেন যুবভারতীতে।