
কলকাতা: প্রথম ম্যাচে হার। তারপর আবার স্বমহিমায় মোহনবাগান সুপারজায়ান্ট। ৪ ম্যাচ খেলে ৩ জয়সহ এখন টেবিল টপার সবুজ-মেরুন বাহিনী। পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে একগাদা গোল মিস, সুযোগ নষ্ট, প্রথম ১০ মিনিটের মধ্যেই পিছিয়ে পড়া – সবকিছুকে ছাপিয়ে এখন বাগানের জয় নিয়েই চর্চা কলকাতার ফুটবলমহলে। এই ম্যাচ জিতে জয়ের হ্যাটট্রিকও হয়ে গেল প্যানোসের ছেলেদের।
আজ শুরুতে টিম লিস্ট দেখে একটু হলেও বুক কেঁপে উঠেছিল বাগান সমর্থকদেরও। ছিলেন না আপুইয়া, ম্যাকলারেন, মিগুয়েলরা। এর আগের ২ ম্যাচে জয় এলেও কেমন যেন ম্যাড়ম্যাড়ে লেগেছে সবুজ-মেরুনকে। আজকেও কি একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে? বাগান সমর্থকদের সেই আশঙ্কাকে সত্যি করে দিয়ে প্রথম ৩ মিনিটেই গোল করে এগিয়ে যায় পাঞ্জাব। বক্সের বাইরে থেকে জোরালো শটে গোল করেন আলফ্রেড প্লানাস। কিন্তু গোল খেলেও একাধিক চেষ্টা করে সবুজ-মেরুন। পাল্টা প্রত্যাঘাত করতে থাকে পাঞ্জাবও। কিন্তু তাদের বেশ কিছু আক্রমণ আটকে দেন বাগানের প্রহরী বিশাল কাইথ।
এর মধ্যেই ১৮ মিনিটে গোল করে সমতা ফেরান লি আরউইন। এঁর কথা বলতেই হচ্ছে। আইএসএলে এই সিজনে একাধিকবার দলের পরিত্রান করে গেলেন এই স্কটিশ ফুটবলার। এর পরেও বাগানের একাধিক শট আটকে দিয়েছেন পাঞ্জাব গোলকিপার অর্শদীপ। কিন্তু ৪৩ মিনিটের মাথায় আবার গোল পায় বাগান। আরউইন বল বাড়ান ড্রাজিচকে। গোল করতে ভুল করেননি তিনি। প্রথমার্ধেই কামব্যাক করে ফেলে সবুজ-মেরুন।
দ্বিতীয়ার্ধেও একাধিক আক্রমণ করে দুই দলই। কিন্তু দুই দলের গোলকিপারই বেশ ব্যস্ত থাকেন আজ। কিন্তু আজকেও বাগানের চিন্তা রয়ে গেল গোল মিস। রোজ নিয়ম করে একাধিক গোল মিস করছে বাগানের আক্রমণ বিভাগ। লিস্টন যেন নিয়ম করে গোল মিস করছেন প্রতি ম্যাচেই। কিন্তু তবুও বাগানের সৌভাগ্য, আর গোল খেতে হয়নি প্যানোস বাহিনীকে। নাহলে আর আজ জয়ের হ্যাটট্রিক হত না।