
দিল্লি: প্রথম ম্যাচে দিল্লিকে উড়িয়ে দিয়েছে বাংলা। ৮ উইকেটে ম্যাচ জিতেছেন অভিমন্যু ঈশ্বরণরা। এবার রঞ্জি ট্রফির ২০২৬-২৭ মরসুমের দ্বিতীয় ম্যাচে বাংলা মুখোমুখি হয়েছে সার্ভিসেসের। কিন্তু আজ খেলছেন না মহম্মদ শামি। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে খেলছেন না ‘সাহসপুর এক্সপ্রেস’। কিন্তু প্রথমে ব্যাট করেই ব্যাটিং ব্যর্থতার মুখোমুখি হল দুই দল।
টসে জিতে প্রথম ব্যাট করতে নামে বাংলা। ৪ ওভারের মধ্যেই প্রথম উইকেটের পতন হয়। ৪ রান করে আউট হন অঙ্কুর পাল। আর এক ওপেনার অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ ১০৬ বল খেলে ৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। সুদীপ ঘরামীই এরপরে দলের সর্বোচ্চ ব্যক্তিগত স্কোর করেছেন। ৬৫ বল খেলে তাঁর সংগ্রহ ৩৮ রান। আবার ব্যর্থ সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (৩)। গত ম্যাচে ১৪৯ রান করা অভিষেক পোড়েল (৭) রান পাননি। ব্যর্থ বহুদিন পর বঙ্গ দলে ফেরা শাহবাজ আহমেদ (০) ও আমির গনি (৫)। সুমন্ত গুপ্ত (২৮), সুরজ সিন্ধু জয়সোয়াল (২২) না থাকলে আরও লজ্জার সম্মুখীন হতে হত বাংলাকে। প্রথম ইনিংসে মাত্র ১৮৪ রান তুলতেই সমর্থ হয় বাংলা। সার্ভিসেসের হয়ে ৩ উইকেট পেয়েছেন অর্জুন শর্মা। ৫ উইকেট পেয়েছেন পুলকিত নারাং।
জবাবে শুরু থেকেই বিপাকে সার্ভিসেস। ৩৩ রানে ১ম উইকেট হারায় রজত পালিওয়ালের ছেলেরা। প্রদীপ্ত প্রামানিকের ফাঁদে পা দিয়ে আউট হন শুভম রোহিলিয়া (১৭)। আর এক ওপেনার নিতিন তানওয়ার (১৬) জলদিই সাজঘরে ফেরেন। এরপরই যেন পতন শুরু হয় সার্ভিসেস দলের। ৩৩/১ থেকে দ্রুতই ৫৩/৪ হয়ে যায় তারা। শেষ অবধি দিন শেষে সার্ভিসেসের স্কোর ৮৩/৫। অধিনায়ক রজত পালিওয়াল অপরাজিত ২৩ রানে। দেবেন্দ্র লোছাবও অপরাজিত ৩ রানে। ২টি করে উইকেট পেয়েছেন প্রদীপ্ত প্রামাণিক ও আমির গনিও।
শামি না খেলায় সুযোগ পেয়েছেন শাহবাজ আহমেদ। তিনিও ১ উইকেট পেয়েছেন। এবার দেখার, বাংলার ছেলেরা এই ব্যাটিং ব্যর্থতা থেকে শিক্ষা নিয়ে কত জলদি ম্যাচে ফিরতে পারেন। কারণ দ্বিতীয় দিন এই মুহূর্তে খুব গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্মীর ছেলেদের জন্য।